ফের শহরের সরকারি হাসপাতালে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হলে এক দগ্ধ শিশুকে। এসএসকেম হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বাইরে দগ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকল একটি শিশু। চিকিৎসা শুরুর আগে কোভিড টেস্ট বাধ্যতামূলক বলে ১২ ঘন্টা শিশুটিকে বাইরেই ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ। 

শরীরের প্রায় ১৮ শতাংশ পুড়ে যায় শিশুটির


উল্লেখ্য, বেহালার বাসিন্দা ওই ক্ষুদে শিশুটির নাম সোনিয়া ঘোষদস্তিদার। বুধবার সন্ধেয় রান্নাঘরে খেলতে খেলতে আচমকাই গরম জলে হাত দিয়ে ফেলে সে। সেই গরম জল ছিটকে শিশুটির শরীরের প্রায় ১৮ শতাংশ পুড়ে যায়। এই অবস্থায় তাঁকে প্রথমে বেহালার বিদ্যাসাগর হাসাপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর এসএসকেমে রেফার করে দেওয়া হয়। অভিযোগ এরপর, বুধবার রাত ১০ টা নাগাত শিশুটির করোনা পরীক্ষা হয়েছে কি না জানতে চায় চিকিসকেরা। টেস্ট হয়নি জানতে পারার পরেই পাঠানো হয় অ্য়ানেক্স বিল্ডিং। 

অভিযোগ অস্বীকার করেছে এসএসকেম

এরপর চিকিৎসা শুরুর আগে এসএসকেম হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বাইরে  ১২ ঘন্টা দগ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকে ওই শিশুটি। এসএসকেম অবশ্য গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হাসপাতালের এক কর্তা জানিয়েছেন, করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, তবে চিকিৎসা পায়নি, এটা ঠিক নয়।