দুই মেরুর বাসিন্দা এবার বসলেন এক ঘরে। কংগ্রেসের বিধান ভবনে এলেন আলিমুদ্দিনের বিমান বসু।  এনআরসি বিরোধিতায় বাম-কংগ্রেসের যৌথ কর্মসূচি নিয়ে বৈঠক করতে সোমবার বিধান ভবনে যান বামফ্রন্টের চেয়ারম্য়ান। 

লোকসভা নির্বাচনের আগে বাম - কংগ্রেসের জোটের রূপরেখা তৈরি করতে একের পর এক বৈঠক হলেও কারও পার্টি অফিসে যাননি কেউ। কখনও বৈঠক হয়েছে প্রদীপ ভট্টাচার্যের বাড়িতে, কখনও বা গণশক্তির পাঠাগারে বৈঠকে বসেছেন তাঁরা। তবে লোকসভা নির্বাচনের পর বদলেছে পরিস্থিতি। এবার রাজ্যে বিজেপির ভোটবৃদ্ধি আরও কাছাকাছি এনেছে সিপিএম ও কংগ্রেসকে। তাতেই নতুন করে এ রাজ্যে হারানো জমি পুনরুদ্ধেরের নকশা তৈরি করছেন তাঁরা। কয়েক দশক আগেও যে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ছিল সিপিএমের মূল লড়াই, মোদীর হাওয়ায় তারাই আজ এক ঘাঁটে। 

সোমবার বিকেল ৪টেয় আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের পার্টি অফিস থেকে বিধান ভবনে যান বিমান বসু। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। বিধান ভবনে চলছে মহাত্মা গান্ধীর ওপর একটি প্রদর্শনী। সেই প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন বিমান বসু। তার পর সোমেন মিত্র ঘরে চা-বিস্কুট সহযোগে শুরু হয় বৈঠক। বৈঠকে ঠিক হয়েছে, পুজো পর্ব শেষ হতেই এনআরসির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে মাঠে নামবে দুই দল। শুধু এনআরসির বিরোধিতা নয়, এনআরসি নিয়ে যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক না ছড়ায় সেজন্যও যৌথ প্রচার চালাবে দু-পক্ষ। এদিন প্রায় দেড় ঘণ্টা বিধান ভবনে কাটান বিমানবাবু।