কলকাতা মেট্রোয় যোগ দিচ্ছে চিনা রেক তামিলনাড়ু থেকে আসা আরও ৫টি রেক রয়েছে ট্রায়াল রান চালান হচ্ছে চিনা রেকের সপ্তাহে ২-৩ দিন চলছে ট্রায়াল রান

দেশে প্রথম মেট্রো রেল চালু হয়েছিল কলকাতা শহরে। সালটা ছিল ১৯৮৪। এরপর ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৮ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এসেছিল ৭টি রেক। তার মধ্যে ৬টি রেক আগেই বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার শেষ রেকটিও বিদায়ের পথে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সূত্রের খবর. ১৯৮৪ সালে শহরে আসা বি-৬ রেকটিকে সংরক্ষণ করার কথা ভাবছে রেল কর্তৃপক্ষ। যদিও আগের ৬টি রেকই নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

বর্তমানে কলকাতা মেট্রোয় ৬০ শতাংশ রেক এসি। তবে এখনও ৪০ শতাংশ নন এসি রেক রয়েছে। আশা করা হচ্ছে মার্চে নন এসি রেকের সংখ্যা আরও কমবে।

বর্তমানে একটি চাইনিজ রেক ট্রায়াল হিসাবে চালান হচ্ছে। এছাড়া পেরুম্বর থেকে আসা ৫টি রেকও রয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে। এই রেকগুলির সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ট্রায়াল রান চলছে। 

এদিকে নোয়াপাড়া থেকে দক্ষিীণেশ্বর পর্যন্ত মোট্রো পরিষেবা কবে চালু হবে এখনও জানা যায়নি। এরমধ্যে কাজের অগ্রগতি দেখতে হাজির হয়েছিলেন মেট্রো রেলের ইঞ্জিনিয়ারদের একটি প্রতিনিধি দল। 

২০১০ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মোট্রো সম্প্রসারণের প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু গত দশ বছরে কাজের তেমন অগ্রগতি হয়নি। 

বর্তমানে কবি সুভাষ থেকে নোয়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রো চলছে৷ এবার নোয়াপাড়া থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত চলবে মেট্রো৷ বর্ধিত এই রুটে থাকবে দু’টি স্টেশন৷ একটি বরাহনগর ও অন্যটি দক্ষিণেশ্বর৷ বর্ধিত এই রুটে মেট্রো চালু হলে হুগলি ও হাওড়ার একটা বড় অংশের মানুষের সুবিধে হবে৷ যারা নিয়মিত কাজের সূত্রে কলকাতায় যাওয়া আসা করেন৷

যদিও এখনও চালু হয়নি সল্টলেকের ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা৷ প্রথম পর্যায়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে সল্টলেক যুবভারতী স্টেডিয়াম পর্যন্ত চালানো হবে এই ট্রেন৷ মেট্রোর নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। কিলোমিটারের হিসেবে ভাড়াও থাকছে চালু মেট্রো পরিষেবার মতোই। মেট্রো রেল-এর তরফে জানাও হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে যুবভারতী অবধি ট্রেন চললেও পরে তা বাড়ানো হবে।

তবে সল্টলেক সেক্টর-৫, করুণাময়ী, সেন্ট্রাল পার্ক, সিটি সেন্টার, বেঙ্গল কেমিক্যাল ও সল্টলেক স্টেডিয়াম- এই ছয় স্টেশনের মধ্যে পরিষেবা শুরুর প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। এখন অপেক্ষা উদ্বোধনের।

রেল সূত্রে খবর, ভাড়া নির্ধারনের জন্যে মন্ত্রকের কাছে কেএমআরসি কর্তৃপক্ষ একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন। সেই রিপোর্ট পর্যালোচনার পর ভাড়া ঠিক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২ কিলোমিটার পর্যন্ত ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর ভাড়া পাঁচ টাকাই রাখা হয়েছে। পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রতি ২ থেকে ৫ কিলোমিটারের ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে ১০ টাকা। এর পর ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার ২০ টাকা এবং ১০ থেকে ১৬.৫ কিলোমিটারের ভাড়া হবে ৩০ টাকা।