খুড়তুতো এবং জ্যেঠতুতো দাদারাই দিনের পর দিন শ্লীলতাহানি করত ছোট্ট মেয়েটিকে। দীর্ঘ সাত বছর ধরে মুখ বুজে সেই যন্ত্রণা সহ্য করেছিল সে। এতদিন মুখে ফুটে সে কথা নিজের বাবা- মাকে বলারও সুযোগ আসেনি। অবশেষে দশ বছর পর সুযোগ আসতেই দাদাদের মুখোশ খুলে ফেলল বোন। অভিযুক্ত তিন দাদাকেই গ্রেফতার করে এদিন আদালতে পেশ করেছে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ। 

নিগৃহীতা  ওই তরুণীর বাড়ি দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট পার্ক থানা এলাকায়। এখন তাঁর বয়স ২৪। অভিযোগ ২০০৭ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত নিজের দুই খুড়তুতো এবং এর জ্যেঠতুতো দাদা সুযোগ পেলেই তাঁর শ্লীলতাহানি করত। ওই তরুণীর অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের বাড়িতে এলেই নিয়মিত এই কুকীর্তি করত তিন দাদা। বয়স কম হওয়ায় বার বার নিজের বাবা- মাকে এই নির্যাতনের কথা বললেও তাঁরা এতদিন বিশ্বাস করেননি। ফলে মনের মধ্যে একরাশ ক্ষোভ এবং যন্ত্রণা নিয়েই মুখে বুজে ছিলেন ওই তরুণী। তাঁর অবশ্য দাবি, ২০১৪ সালের পরে এই নির্যাতনের ঘটনা আর ঘটেনি। 

শেষ পর্যন্ত গত শুক্রবার সংবাদপত্রে একটি ধর্ষণের ঘটনার খবর পড়ে তা নিজের মেয়েকে জানান ওই তরুণীর মা। তখনই নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও মায়ের কাছে ফের একবার খুলে বলেন ওই তরুণী। এর পরেই রিজেন্ট পার্ক থানায় মায়ের সঙ্গে গিয়ে তিন দাদার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ওই নির্যাতিতা। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করে পুলিশ। এ দিন তাদের আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়।