কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হলো তাইল্যান্ডের এক নাগরিকের। যে মৃত্যুকে ঘিরে ফের একবার শহরে করোন ভাইরাসের আতঙ্ক। তাইল্যান্ডের বাসিন্দা মৃত যুবতীর কফের নমুনা পরীক্ষার জন্য পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি- তে পাঠানো হচ্ছে। 

তাইল্যান্ডের নাগরিক সুরিন নাকটয় ব্যবসায়িক কাজে কলকাতায় এসেছিলেন। এর পরেই গত ২১ জানুয়ারি প্রবল শ্বাসকষ্টের সমস্যার নিয়ে ই এম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানেই আইসিইউ- তে তাঁর চিকিৎসা চলছিল।  শেষ পর্যন্ত সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ ৩২ বছর বয়সি ওই যুবতীর মৃত্যু হয়। 

চিনের মতো তাইল্যান্ড- এও করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্য়ায় বিদেশি ওই নাগরিকের মৃত্যু পর পরই গোটা বিষয়টি স্বাস্থ্য ভবনকে জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফে। ওই রোগীর কফের নমুনাও বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তা পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি-তে পাঠানো হবে। 

অন্যদিকে যে চিনা যুবতীকে বেলেঘাটার আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাসের নমুনা মেলেনি বলেই হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে। ওই যুবতীর যে সমস্ত উপসর্গ ছিল তা জানার পর পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি থেকেই তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাসের জীবাণু থাকার সম্ভাবনা খারিজ করে দেওয়া হয়। 

গত ২৪ জানুয়ারি মুম্বাইতে আসার পর ট্রেনে কলকাতা পৌঁছনোর পথে জ্বর, মাথা এবং পেট ব্যথায় আক্রান্ত হন তিনি। বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে উপসর্গ দেখে তাঁকে দ্রুত বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে ওই জো হুয়ামিন নামে ওই যুবতীর চিকিৎসা চলছিল।