করোনার কোপে রাস্তায় জনমানব শূণ্য ছিল বিগত কয়েকমাসে। দীর্ঘ দিন ঘোরেনি বাসের চাকা। তারই মাঝে সামান্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও বাসে সেভাবে যাত্রীদের উঠতে দেখা যাচ্ছিল না। তাতেই বেড়েছিল সমস্যা। বাস চালকরা জানিয়েছিলেন যে, তাঁদের তেলের নূন্যতম খরচ টুকুও তোলা সম্ভবপর হচ্ছে না। এরপরই নূন্যতম ভাড়া কোথাও আট কোথাও নয় করে চালানো হয়। 

আরও পড়ুন- 'আমরা রেশনের চাল খাই-শুধু ওনার জন্যই মিনিকেট এনেছিলাম', শাহ যেতেই অন্য রূপ বাসুদেব বাউলের

এখানেই শেষ নয়। এরপর শুরু হয়ে মাত্রা ছাড়া জ্বালানির দাম বৃদ্ধি। একে নেই যাত্রী। তার ওপর কোপ ফেলে তেলের দাম। এবার বাস চালানো সম্ভবপর হচ্ছে না বলে জানান বাস চালকরা। তাঁদের কথায়, সমস্যা রয়েছে দুইদিকের। মালিকের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে নূন্যতম ভাড়া ১০ থেকে ১২ করা হোক, এবং বাস চালানো হক। কিন্তু চালকদের বক্তব্য অতে সমস্যা দেখা দেবে। 

সরকার যেহেতু ভাড়া বাড়ানো নিয়ে এখনও কিছু বলছে না, তাই যাত্রীরা তা মানতে নারাজ থাকবে। বাড়বে অশান্ত। তাই মঙ্গলবার থেকেই বন্ধ রইল বেশ কিছু রুটের বাস। যার মধ্যে রয়েছে ১২, ১২ এ, ওয়ান এ, ওয়ান বি  ৪২ এ ৪২ বি, ৩৯ রুটের বাস। দুটি  মিনিবাস রুটের বাস পরিসেবাও বন্ধ। এতে বেজায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে রাস্তায় নেমে অফিস টাইমে ভোগান্তি। এই নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি।