উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা চলার মধ্যেই রাজ্যে হানা দিয়েছিল করোনাভাইরাস। তারপর প্রথমে ২ সপ্তাহের লকডাউন জারি করা হয়েছিল। ক্রমে সেই লকডাউনের মেয়াদ বেড়ে ২ মাসের বেশি সময় পার হয়ে গিয়েছে। এদিকে উচ্চমাধ্যমিকের বেশ কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা ছিলেন উদ্বেগে। এই অবস্থায় ওই বাকি থাকা পরীক্ষাগুলি নেওয়ার জন্য ২৯ জুন, ২ জুলাই এবং ৬ জুলাই - এই তিনটি সম্ভাব্য দিনের কথা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কোন তারিখে কোন পরীক্ষা হবে, তা পরবর্তীতে বিশদে জানানো হবে।

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হয়েছিল করোনা পূর্ব পৃথিবীতে। পরের দুই মাসে অনেকটা বদলে গিয়েছে সবকিছু। এদিন শিক্ষামন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও পরীক্ষাকেন্দ্রেই যাতে ৮০ থেকে ১০০-র বেশি পরীক্ষার্থী না থাকে, সেইরকমভাবেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এরজন্য ইতিমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে ২৫০০ সেন্টার চিহ্নিত করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্র বাছাই-এর ক্ষেত্রে খেয়াল রাখা হচ্ছে পরীক্ষার্থীরা যাতে নিজেরাই স্থানীয় যানবাহনের বন্দোবস্ত করে কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেন।

এছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেস মাস্ক পরে যাওয়াটা বাধ্যতামূলক। সেইসঙ্গে তাদের সঙ্গে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বোতল থাকতে হবে। সেই স্যানিটাইজার পরীক্ষার্থীদেরই আনতে হবে, না শিক্ষা দফতর থেকে দেওয়া হবে, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। এর সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই তিনদিনে যথাক্রমে ২ লক্ষ ৭ হাজার, ২ লক্ষ ১৬ হাজার এবং ২ লক্ষ ৪৪ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবেন। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, অ্যাকাউন্ট্যান্সি, ইকোনমিক্স, জার্নালিজম, বিভিন্ন ভাষার পরীক্ষা মিলিয়ে মোট প্রায় ১২টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি। তাই এই মুহূর্তে ওই সম্ভাব্য তিনটি দিনই ঠিক করা হয়েছে। এবার বাকি সূচি তৈরি করা হবে।