বিধানসভার পাশাপাশি রাজ্য়পালের প্রতিবাদে সরব হল রাজ্য়সভা। মঙ্গলবার বেনজির ঘটনার সাক্ষী থাকল দেশবাসী।  রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নজিরবিহীনভাবে বিধানসভাতেই গো-ব্যাক স্লোগান দেয় তৃণমূল বিধায়করা। পরে বিধানসভার বাইরে রীতিমতো প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করে বিক্ষোভ দেখান দলের তফসিলি জাতি-উপজাতিভুক্ত বিধায়করা। 

একই ঘটনা ঘটে রাজ্যসভায়। রাজ্যপালের অপসারণের দাবিতে রাজ্যসভায় সরব হলেন তৃণমূল সাংসদরা। অধিবেশন ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যান ডেরেক ওব্রায়েন, শুখেন্দুশেখর রায়রা। তাঁদের দাবি, প্রতিবাদের সময় রাজ্যসভার টিভি ব্ল্যাক আউট করে দেওয়া হয়। 

এদিন এসসি-এসটি বিল পাশ না হওয়ায় রাজ্যকেই দায়ী করেন রাজ্যপাল। জগদীপ ধনকড় বলেন, রাজভবন কোনও রাজনীতির জায়গা নয়। সাংবিধানিক পদ নিয়ে রাজনীতি করবেন না। রাজ্যপাল জনগণের পাহারাদার। যারা কুমিরের কান্না কাঁদছে, তাদের বলুন সরকার গরুর স্পিডে চলছে। রাজ্যপাল রকেটের স্পিডে কাজ করছে। এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি রাজ্যপাল। 

ধনখড় বলেন, রাজ্যে রাজ্যপালের পদ নিয়ে অযথা নোংরা রাজনীতি চলছে।  এই নোংরা রাজনীতি বরদাস্ত করব না। মমতা সরকারের প্রতি তাঁর হুঁশিযারি ,আমার কাঁধে বন্দুক রেখে এসসি-এসটি নিয়ে রাজনীতি করবেন না। কেন্দ্রের একটি এসসি-এসটি আইন আছে। দুটো আইনে আলাদা কিছু নেই। তাও কেন রাজ্য এই আইন আনতে চাইছে? তা জানতে চেয়েছি। রাজ্যপালের অভিযোগ, এ নিয়ে রাজ্য় সরকারের তরফে রাজভবনকে কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি।  তাই সব না জেনে তিনি বিলে স্বাক্ষর করেননি।