শুক্রবার বিকেল চারটে নাগাদ কলকাতার বুকে আছড়ে পরবে ফণী, যার জেরে ৬০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে কলকাতা আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ওড়িশার ওপর থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে বয়ে আসা ফণী শক্তি হারিয়ে খানিক দুর্বল হলেও, আয়লার ক্ষয় -ক্ষতির কথা মাথায় রেখেই তৎপর প্রশাসন।  বৃহস্পতিবার  কলকাতা পুরসভার একাধিক বিভাগের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেন মেয়র ফিরাদ হাকিমও। ঝড়ের পূর্বাভাসের ২৪ ঘন্টা আগেই বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা জারি করা হয় পুরসভার পক্ষ থেকে।

  • ভাঙা বা বিপদজনক বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে এনে তোলা হবে স্থানীয় কোনও স্কুলে, ব্যবস্থা করা হবে খাবারের।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণ প্যাকেট জল মজুত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরসভা।
  • শহরের অধিকাংশ অঞ্চলে জল জমে ব্যাহত হয় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, তাই জল নিকাশি ব্যবস্থার প্রতিও নজর রাখছেন কতৃপক্ষ। সতর্ক করা হয়েছে পাম্পিং স্টেশনগুলিকেও।
  • রাস্তার ধারে বড় বড় হোডিং ব্যানারগুলি সত্ত্বর খুলে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় পুরসভা পক্ষ থেকে।
  • গাছ উপড়ে পরে ব্যহত যান চলাচল সচল করতে মজুত রাখা হচ্ছে ইলেক্ট্রিক করাতের।
  • কোনও বড় -সড় বিপদ এড়াতে বিশেষ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে সর্বত্র।
  • পুরসভার সকল কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে শুক্রবার।

প্রসঙ্গত ফণীর পূর্বাভাসে দফায় -দফায় বৈঠকে বসে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ।পুলিশ প্রশাসন সর্বত্র সতর্কবার্তা জারি করেছে। ফণীর দাপটে যাতে শহরের বুকে কোনও বড় -সড় সমস্যার সৃষ্টি না হয়, তাই আগাম বিপদ এড়াতে যথাসম্ভব তৎপর পুরসভা। ৩মে শুক্রবার বিকেল থেকে ৪মে শনিবার পর্যন্ত ফণীর প্রভাব থাকবে রাজ্যে। তারপর তা বাংলাদেশের দিকে সরে যাবে বলে জানানো হয় আবহাওয়া দপ্তর থেকে।