দুর্যোগ কেটে গিয়েছে। ফণীর আগ্রাসনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও কলকাতার কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছে এক্সট্রিমলি সিভিয়ার "সুপার সাইক্লোন"।  প্রশাসনের তৎপরতায় বড় মানবসম্পদের ক্ষতিও এড়ানো গিয়েছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানাচ্ছে, ঝড়ের গতিতে দুই চব্বিশ পরগণা থেকে সরানো হয়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে। মেদিনীপুর থেকেও সরানো হয়েছে ২৩ হাজার ৬৮০ জনকে।এখন ফণী বাংলাদেশ অভিমুখী। তবে  ফণীর জেরে ৫০টি মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।
 
মেট্রোর তরফে শুক্রবার রাতেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ২২৪ টির পরিবর্তে মেট্রো চালাবে ১৭৪ টি ট্রেন। পরিষেবায়  অন্য বদল নির্ভর করছে শহরের পরিস্থিতির ওপর।

ফণীর জুজু গত তিনদিন ত্রাস সৃষ্টি করেছিল শহরের ওপর। নজিরবিহীন তৎপরতা দেখা দেয় প্রশাসনের তরফে। কন্ট্রোল রুম তৈরি করে তৈরি ছিল নবান্ন। মমতা নিজে পৌঁছে গিয়েছিলেন খড়্গপুরে। সেই খড়্গপুরই হয়ে ওঠে বাংলায় ফণীর প্রথম ডেস্টিনেশন। দ্রুত বিপজ্জনক এলাকা থেকে মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ায় রক্ষা পেয়েছেন অনেকে। তবে কলকাতার কান ঘেঁষে ফণী বেরিয়ে যাওয়ায় শহরের তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। 

প্রসঙ্গত আগাম বিপদ বুঝে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি স্কুলগুলোতে দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করলেও ছুটি পাননি সরকারি বেসরকারি  নানা ক্ষেত্রের কর্মীরা। ব্যস্ত দিনে নিত্যযাত্রীদের মধ্যে ৫০টি মেট্রো বন্ধের মতো ঘটনা যে ব্যাপক  প্রভাব ফেলবে সে কথা আগাম বলা যায়।