পূজোতে মেট্রোরেলের সংখ্যা বাড়াতে চলেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। পূজোতে যাত্রীদের ভিড়ের কথা মাথায় রেখেই বিশেষ সিদ্ধান্ত মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের। এছাড়া পূজোর জন্য শনি ও রবিবার ট্রেনের সংখ্যা বাড়াতে চলেছে মেট্রো। শুধু তাই নয় পূজোর দিনগুলিতে গভীর রাত পর্যন্ত বিশেষ সূচিতে ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের। গত সপ্তাহেই পূজোর ট্রেন পরিষেবা নিয়ে এক উচ্চ পর্যাযের বৈঠক হয়েছে মেট্রোভবনে। সেখানেই বিষয়গুলি নিয়ে চর্চার পর একটি খসড়া করা হয়েছে, তবে তা শীঘ্রই চূড়ান্ত করা হবে বলে খবর। 

মেট্রোরেল সুত্রের খবর অনুযায়ী, আপ- ডাউন মিলিয়ে শনিবারগুলিতে বর্তমানে ২৩৬ টি ট্রেন চালানো হয়। রবিবারে ট্রেনের সংখ্যা ১২৪টি। শনিবারে তার জায়গায় ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হবে ২৮৪টি এবং রবিবারে ট্রেনের সংখ্যা করা হবে ১৫০টি রাখা হবে বলে মেট্রো সূত্রে খবর। এছাড়া জানা গিয়েছে পূজো শুরুর আগের রবিবার থেকে যাত্রীদের ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য রেল সংখ্যা বাড়িয়ে ২০০-র ওপরে নিয়ে যাওয়া হবে। 

এ বছরের দুর্গাপুজো অক্টোবরের প্রথম দিকেই শুরু হবে, সেজন্য আশা করা যাচ্ছে কেনাকাটার জন্য ভিড় বাড়তে পারে, সেই কথা মাথায় রেখেই মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত। ৩১ শে অগাস্ট থেকে শনি ও রবিবারগুলিতে বাড়তি ট্রেন চালানো হবে। চতুর্থী থেকে ষষ্টী পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে সকাল আটটায়, আর সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমীতে একটু বেলাতে ট্রেন চলাচল শুরু করে ভোর ৪টে পর্যন্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। 

অন্যদিকে শুধুমাত্র ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধিই নয়, যাত্রীদের নিরাপত্তার ওপরও জোর দেওয়া হবে। আরপিএফ এর পাশাপাশি কুইক রেসপন্স টিম রাখা হবে। এছাড়া সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে রেল ষ্টেশনগুলিতে। মেট্রোতে জোর করে দরজা আটকে ট্রেনে ওঠার প্রবণতা বাড়ছে। সম্প্রতি মেট্রোতে হাত আটকে প্রাণ হারান সজল কাঞ্জিলাল। এই প্রবণতার জন্য জরিমানার মুখে পড়েছেন অনেক যাত্রী। এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর যাতে না ঘটে তার জন্য আরও বেশি কর্মী মোতায়েন করা হবে। মেট্রোর প্রতিটি স্টেশনে বিশেষ বুথ খোলা হবে। এছাড়া মেট্রো ষ্টেশনগুলিতে চিকিৎসার সরঞ্জামও মজুত থাকবে। সব মিলিয়ে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আশা করছে তারা পূজোর দিনগুলিতে ভিড়ের মোকাবিলা সুষ্ঠভাবে করতে পারবেন।