ইস্টার্ন রিজিওনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক ছাড়াও অমিত  শাহের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করতে পারেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মঙ্গলবার মুখ্য়মন্ত্রী  ভূবনেশ্বরে রওয়ানা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে এমন জল্পনা। মনে করা হচ্ছে , নাগরিকত্ব ইস্য়ুতে রাজ্য়ের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। সেখানে তাঁর মূল হাতিয়ার হবে দিল্লির হিংসা প্রসঙ্গ।  

'ভারতে থাকা ২০ কোটি মুসলিম ওদের লক্ষ্য়', ঝোঁপ বুঝে কোপ মারলেন ইমরান খান  

শুক্রবার এমনিতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন মমতা৷ ভুবনেশ্বরের একটি পাঁচতারা হোটেলে হতে চলেছে পূর্বের রাজ্য়গুলি নিয়ে নিরাপত্তা বৈঠক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পৌরহিত্যে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ৫টি রাজ্য বাংলা, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবরা। মূলত,প্রতিবেশী  রাজ্য়ের সঙ্গে বর্ডারের পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিশেষ রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর। এমনকী অনুপ্রবেশ রুখতে রাজ্য় সরকার কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বৈঠকে।

মায়ের উদ্দাম জীবনযাপন গ্রাস করেছিল মেয়েকে,রিয়াও ছিল রমার মতো

দিল্লির হিংসা নিয়ে বিরোধীরা অমিত শাহকে তুলোধেনা করলেও সংযত রয়েছেন মমতা। সোমবার বিমানবন্দরে দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বলেন, দিল্লিতে যা চলছে, তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, আমরা নজর রাখছি। কিন্তু কেন এ সব চলছে, আমি জানি না।  আমি মনে করি, সবারই শান্তি রক্ষা করা দরকার। আমাদের দেশ শান্তির দেশ। রাজ্য় রাজনৈতিক  মহল মনে করছে, ভূবনেশ্বরে শাহের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের আগে নতুন করে বিতর্ক বাড়াতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী। তাই তাঁর এই বাক সংযম। 

অতীতেও রাজ্য় থেকে সিএএ প্রত্যাহার নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দরবার করেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজেই অমিত  শাহের সঙ্গে বৈঠক সেরে সেই কথা জানান। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিএএ নিয়ে অনড় মনোভাব দেখানোায় সেই আশায় জল পড়ে। মনে করা হচ্ছে, সিএএ প্রত্যাহার নিয়ে এবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে  দরবার করতে পারেন মখ্য়মন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে দিল্লির উত্তাল পরিস্থিতিই হবে তার কাছে মূল হাতিয়ার। 

শিবের দয়া, নিমগাছ থেকে বের হচ্ছে 'দুধ', গ্রামজুড়ে শোরগোল

পরিসংখ্যান বলছে,তিনদিনে রাজধানীতে হিংসায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০০ জনেরও বেশি আহত । যাদের মধ্য়ে বেশিরভাগই চিকিৎসার পর বাড়ি চলে গিয়েছেন। তা সত্ত্বেও কমেনি হিংসা। সেনা নামানোর আর্জি জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।