মঙ্গলবারের পর এবার বুধবার। ফের কলকাতা বিমানবন্দরে করোনা ভাইারাসের উপসর্গ দেখা গেল এক ব্যক্তির দেহে। সরাসরি তাঁকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্য়ক্তি ইন্ডিগোর বিমানে ব্যঙ্কক থেকে কলকাতায় এসেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্য়াতেও একই ঘটনার সাক্ষী থাকে কলকাতা। 

তাপস সহ তিন মৃত্যুর জন্য দায়ী কেন্দ্র, বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা বন্দর সূত্রে খবর,বুধবার  চিনের সিঙ্গাপুরে হয়ে কলকাতা বন্দরে আসছিল একটি মালবাহী জাহাজ। চিনের সাংহাই থেকে ১৯ জন চিনের নাগরিককে নিয়ে আসছিল এই জাহাজটি। কিন্তু খবর পেয়ে জিনিয়াস স্টার নামের ওই জাহাজকে সাগর দ্বীপে দাঁড়াতে বলা হয়। পরে দ্বীপে জাহাজের চিনা ক্রু মেম্বারদের থার্মাল পরীক্ষা করা হয়। আগামীকালও এই ক্রু মেম্বারদের আবার একই পরীক্ষা করা হবে। আপাতত আলাদা করে নজরদারিতে রাখা হয়েছে এই ক্রুকে। তবে ডাক্তাররা জানিয়েছেন, প্রথম দিনের পরীক্ষায় কোনও ধরনের নেতিবাচক কিছু ধরা পড়েনি জাহাজের ক্রু মেম্বারদের শরীরে।  

এবার কিডনিতেও ছড়াল সংক্রমণ, পোলবায় জখম ঋষভের অবস্থার আরও অবনতি  

চিনে কোরানা ভাইরাস মহামারীর আকার নিয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার মৃত্যু হয়েছে ১০৮ জনের। এখনও পর্যন্ত এটাই একদিনে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা। সামগ্রিক ভাবে সোমবার পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০১৬। 

সোমবার চিনের মূল ভূখণ্ডে নতুন করে আরও ২,৪৭৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস মিলেছে। এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪২,৬৩৮ বলে জানিয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন। এদিকে সোমবার  করোনায় মৃত্যু হওয়া সকলেই হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।  যাদের মধ্যে রাজধানী উহানে মৃতের সংখ্যা ৬৭। এই উহানি হল করোনা ভাইরাসের এপিসেন্টার। হুবেই  ছাড়াও করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে হেলিংজিয়ং, আনহুই এবং হুনান প্রদেশেও। তিয়ানজিয়ান এবং বেজিং-এর পরিস্থিতিও ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। বুধবার  এই সংখ্যাটা আরও বেড়েছে। 

কী গল্প কলকাতাকে শোনাল রোবট কন্যা সোফিয়া, দেখুন সেরা ১২ ছবি

এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮টি দেশে শনাক্ত হয়েছে করোনা  ভাইরাস। চিনের বাইরে হংকং ও ফিলিপিন্সে  ইতিমধ্যে  আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিনিয়ত এই ভাইরাসে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয়। ভাইরাসটি যাতে ছড়িয়ে না যায়, সেজন্য হুবেই প্রদেশকে পুরো দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে চীন। ওই অঞ্চলের সঙ্গে চীনসহ বাইরের দুনিয়ার সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।