অনুষ্ঠান করবেন যাঁরা, সেই স্থান পরিস্কার রাখার দায়িত্বও ঠিক তাঁদেরই নেওয়া উচিৎ। এই সহ পাঠ আরও এবার তুলে ধরলেন সকলের সামনে মিমি চক্রবর্তী। প্রসঙ্গ, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। কলকাতার হেরিটেজ। এক কথায় বলতে গেলে কলকাতার এই প্রাণ কেন্দ্রে জুড়ে গোটা রাজ্যের আবেগ কাজ করে। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাই সেই কেন্দ্রকেই বেছে নিয়েছিল কেন্দ্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্যে। 

আরও পড়ুন- বাংলার ভোটে বিরোধী নেতাদের সুরক্ষা দাবি, জনস্বার্থ মামলায় আবেদন খারিজ সর্বোচ্চ আদালতের

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এই প্রাঙ্গণে। সেখানেই আমন্ত্রিত সকলেই ছিলেন উপস্থিত। নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিরা। দিনভোর চলে এক প্রকারের উৎসব। যার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে জঞ্জালও জমে যায় এই স্থানে। বিষয়টি নজরে আসতেই মুখ খোলেন মিমি চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রতিবাদ জানান সাংসাদ। 

 

মিমি চক্রবর্তী এদিন পোস্টে স্পষ্ট লেখেন, শাসক বলেই কি এই অপরিচ্ছিন্ন করার অধিকার। যদি কোন অনুষ্ঠানেরর আয়োজন করেন, তবে তা শেষ সেই স্থান পরিস্কার রাখাও উচিৎ আপনার। এটাকেই বলে দায়িত্ব। আমি যতদূর জানি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মধ্যে খাবার নিয়ে প্রবেশ নিষেধ। কিন্তু আপনি শাসক বলেই কি আপনার জন্য নিয়মের ব্যতিক্রম! মিমির এই প্রশ্নে আরও এবার উস্কে গেল ২৩ জানুয়ারি কলকাতার বুকে কেন্দ্র সরকারের অনুষ্ঠান বিভ্রাট। মাঝে একটা দিন কেটে গেলেও এখনও সর্বত্র একটাই প্রসঙ্গ, এক জাতীয় অনুষ্ঠানে কীভাবে দলগত স্লোগান জায়গা করে নেয়!