নতুন ফসল ঘরে তোলার সময়ের সঙ্গে এখানে দেবী আগমনের তুলনা করা হয়েছে। দুর্গতিনাশিনী এখানে সাক্ষাৎ অন্নপূর্ণা। পাতিপুকুর সরকারি আবাস শারদ উৎসব কমিটির এবারের দুর্গাপুজোর থিম নবান্ন উৎসব।

এবার ৫৪ বছরে পা দিয়েছে পাতিপুকুরের এই পুজো। তেঁতুলতলা বাস স্টপে নেমে সরকারি আবাসনের কথা বললেই চোখে পড়বে পুজোর মণ্ডপ। পুজো কমিটির লোকজন জানিয়েছেন, এ বছর ৮ লক্ষ টাকা পুজো বাবদ বাজেট রয়েছে তাঁদের। মণ্ডপের শুরু থেকেই পাওয়া যাবে গ্রামীণ অনুভূতি। যেখানে নতুন ফসল নিয়ে তৈরি থাকবে ধানের গোলা। বাতিস্তম্ভের বদলে লণ্ঠন,কুপিতেই মিলবে আলোর জোগান। তবে শুধু দুর্গা আরাধনাতেই থেমে থাকছে না পুজো কমিটি। পুজোর দিনগুলোতেই থ্য়ালাসেমিয়া রোগীদের জন্য় থাকছে বিশেষ শিবির। এছাড়াও আলাদা ঘর রাখা হয়েছে জামা কাপড় দানের জন্য। এই জামা কাপড়ই পরবর্তীকালে চলে যাবে গ্রামের গরিব দুঃস্থদের জন্য। কমিটির আশা, এবারও তাঁদের পুজো ঘিরে মণ্ডপে ভিড় জমবে। আপাতত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত পুজো কমিটি।

তবে আশার মাঝেই উঁকি দিচ্ছে আশঙ্কা। কারণ আবহাওয়া অফিস বলছে, পুজোয় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। জেলায় জেলায় অনেক জায়গাতেই মণ্ডপে ঢুকে গেছে জল। ইতিমধ্যেই সেখানে বালি ফেলে কাদা রাস্তা শুকনো করা হচ্ছে। মণ্ডপ শুকতে আলাদা হাই স্পিডের ফ্য়ানের ব্য়বস্থা করা হয়েছে।