করোনা হসপিটালের বিএমওএইচ পদে রয়েছে ভাই,তার খেসারত দিতে হোলো  দাদাকে। দীর্ঘদিন ধরে বিষ্ণুপুর ১ নম্বর ব্লক হসপিটালের  পেশায় ডাক্তার নাম সৈকত বসু করোনা চিকিৎসা করছেন। প্রথম দিকে পরিবারের থেকে দূরে আমতলাতে একটি হোটেলে থাকতেন তিনি। দাদা সুদীপ্ত বসুও বাবা-মায়ের সাথে সরশুনা বোম্বাই বাগানে থাকতো।

 অনেক দিন হয়ে যাওয়ার ফলে ডাক্তারবাবু এখন রাতে সরশুনার বাড়িতে ফিরে নিজের বাড়ির উপরে একটা ঘরে পরিবারের থেকেও আলাদা থাকেন। ডাক্তার  সৈকত বসু যেহেতু করোনা রোগের ট্রিটমেন্ট করেন, তার জন্য প্রতিবেশীদের রোষের মুখে পড়তে হচ্ছে তার পরিবারকে। ডাক্তারবাবুর অভিযোগ, প্রতিবেশীদের একাংশ তাদের পরিবারের কাউকে বাইরে বের হতে নিষেধ করেছেন। সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইন থাকতে বলছেন। 

কারণ প্রতিবেশীদের ধারণা এদের পরিবার থেকে এলাকাতে করোনা ছড়াচ্ছে। বেশ কয়েকদিন ধরেই এই অভিযোগ সহ্য করতে হচ্ছিল পরিবারের লোকজনকে। যদিও প্রথমদিকে সৈকতবাবু ট্রিটমেন্ট করার পরে আমতলাতে একটি হোটেলে থাকতেন। কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে যাবার পরে সে এখন মাঝরাতে বাড়িতে ফেরেন।  কাজ করে আবার সকালবেলায় কাজে বেরিয়ে যান। 

সৈকতবাবুর অভিযোগ, আজ  দুপুর দুটোর সময় তার দাদা সুদীপ্ত বসু যখন বাইরে বেরোন তখন প্রতিবেশীদের মধ্যে সাত-আটজন সুদীপ্তবাবুকে মারধর করে। তারা  রড দিয়ে প্রথমে মাথা ফাটিয়ে দেয়।  তারপর বাইক-এর গরম সাইলেন্সার পায়ে চেপে ধরে। যাতে পা পুরে যায়। তাঁদের বৃদ্ধ বাবা-মাকে গালিগালাজ করে। তারপর সুদীপ্ত বাবুকে মারধর করে প্রতিবেশীরা চলে যায়। পরে তাকে হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্য়েই সরশুনা থানায় অভিযোগ করা হয়েছে প্রতিবারের তরফে। এই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।