চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগে বেসরকারি হাসপাতালে উত্তেজনা। গত ৩০শে জুন বারাসতের বাসিন্দা  নিখিল চন্দ্র রায় (৭০) ব্রেনের চিকিৎসা জন্য ভর্তি হন। ১২ তারিখে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের পক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা বিল দিতে হবে বলে কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছে সেই টাকা নেই জানালে হাসপাতাল আড়াই লক্ষ টাকা দিলেই হবে বলে  জানিয়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে সব বিল প্যাকেজের মধ্য়েই দেখানো হবে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

যদিও পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতিতে মৃত্যু হয়েছে রোগীর। তারা জানতে পেরেছে, ভুয়ো চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছে রোগীকে। তাতেই মৃত্যু হয়েচে রোগীর। অতীতেও ভুয়ো চিকিৎসক হওয়ার কারণে গ্রেফতার হয়েছিলেন ওই চিকিৎসক। পরিবারের দাবি, এ বিষয়ে আর হাসপাতালের সঙ্গে কথা বলতে গেলে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ রোগীর আত্মীয়ের মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মারধর করা হয় আত্মীয় স্বজনকে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে  ঘটনাস্থলে আসে ইকো পার্ক থানার পুলিশ।

রাজ্য়ে করোনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পর থেকেই একের পর এক চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ এসেছে রাজ্য় সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে। সরকারির সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধেও এই অভিযোগ উঠেছে। বহু ক্ষেত্রে করোনা হাসপাতালের বেড পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে রাজ্য়বাসীকে। একের পর এক হাসপাতালে ঘুরে মারা গিয়েছে রোগী। যার রাজ্য় সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বেড়েছে।