স্বল্প সঞ্চয়ের ওপর নির্ভর করে যাঁদের দিন গুজরান করতে হয়, তাঁরা এবার রীতিমতো বিপদে।     লকডাউনের সময়ে রুজিরোজগার সব বন্ধ। সামান্য় যে-কটা টাকা পোস্ট অফিসের মান্থলি ইনকাম স্কিমে রয়েছে, এবার সেটুকুও তোলার বন্ধ হয়ে গেলো।  কারণ নোটিশ ছাড়াই আচমকা পোস্ট অফিস বন্ধ করে দিলেন পোস্ট মাস্টার।

ঠাকুরপুকুর পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নোটিশ ছাড়াই পোস্ট অফিস বন্ধ করে দিয়েছেন। আর তার জেরে বিপদে ফেলেছেন দশ হাজার গ্রাহককে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মে মাসের ১০ তারিখ কোনও নোটিশ ছাড়াই আচমকা বন্ধ করে দেওয়া হয় পোস্ট অফিস। তারপর থেকে গ্রাহকরা বারবার এসে ঘুরে গিয়েছেন। কিন্তু পোস্ট অফিস খোলেনি।

পোস্ট অফিস বন্ধ থাকায়, শুধু যে এমআইএসের টাকাই তোলা যাচ্ছে না তা নয়, সেইসঙ্গে অনেকে পেনশনও তুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ। তবু গ্রাহকরা আসছেন আর ঝড়জল রোদবৃষ্টির মধ্য়েই পোস্ট অফিসের সামনে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন প্রতিদিন। যদি পোস্ট অফিস খোলে। কারণ, নির্দিষ্ট করে কিছুই জানা যাচ্ছে না। ঠাকুরপুকুর পোস্ট অফিসের একটি শাখা বা ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিস রয়েছে। সেটিও এখন বন্ধ। তাই রীতিমতো আতান্তরে পড়েছেন এখানকার দশ হাজার গ্রাহক।

লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অনেকেই অভিযোগ করে বলছেন—নিজের টাকা নিজেই তুলতে পারছি না, এবার তো লকডাউনের মধ্য়ে না-খেতে পেয়ে মরতে হবে। গ্রাহকদের অভিযোগ—আচমকা বিনা নোটিশে কেন পোস্ট অফিস বন্ধ করে দেওয়া হলো বুঝতে পারছি না, কবে খুলবে তা-ও কিছু জানানো হচ্ছে না আমাদের।