দুবার চিঠি দিয়েও উত্তর আসেনি। বাধ্য় হয়ে তৃতীয়বার রাজ্য়ের কিছু চটকল খোলার জন্য় চিঠি পাঠাল স্মৃতি  ইরানির কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, গত ৪এপ্রিল এ বিষয়ে প্রথ্ম চিঠি  পাঠানো হয়েছিল মুখ্য়সচিব রাজীব কুমারের কাছে। কোনও উত্তর না আসায় ফের ১৩ এপ্রিল আরও একটি চিঠি পাঠানো হয়। তাতেও মৌন থাকে মমতার সরকার। শেষ বাধ্য় হয়ে ১৫ এপ্রিল তৃতীয়বার রাজ্য়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বস্ত্রমন্ত্রক। 

চিঠিতে বলা হয়েছে,  দেশে রবিশস্য কাটা শুরু করে দিয়েছেন কৃষকরা। এরকম একটা সময়ে প্রয়োজন প্রচুর চটের বস্তা। তাই রাজ্যের কিছু চটকলে উৎপাদন শুরু করার নির্দেশ দিক রাজ্য় সরকার। রাজ্যের ১৮টি চটকলে ২৫ শতাংশ শ্রমিককে কাজে লাগিয়ে এখনই উৎপাদন শুরু করা আর্জি জানিয়েছে কেন্দ্র। লকডাউনেও চট যে জরুরি পরিষেবার মধ্য়ে পড়ে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এপ্রিল ও মে মাসে সেই চাহিদা আরও অনেক বাড়বে বলে জানিয়েছে খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ বিভাগ।

ইতিমধ্য়েই চটকলকে যে লকডাউনের মধ্যে খোলা যায় তারও নির্দিষ্ট নিময় রাজ্য়েকে পাঠিয়েছে বস্ত্র মন্ত্রক। রাজ্যের মুখ্যসচবি রাজীব কুমারকে পাঠানো ওই চিঠিতে বস্ত্রমন্ত্রকের সচিব রবি কাপুর বলেছেন, অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গে কিছু চটকল চালু করে যতটা সম্ভব উৎপাদন শুরু করা হোক।