গোটা সপ্তাহের নাভিশ্বাস খাটনির পরে সপ্তাহান্তে একটু প্রাণখোলা হাওয়া কে না চায়! কিন্তু পকেট বড় বালাই, তাছাড়া দূরে যাওয়ার আরও নানা ঝক্কিও থাকে। হাততালি দিয়ে শুন্ডি বললেই চলে যাওয়া যায় না যেখানে সেখানে। তবে যদি বলি কলকাতা থেকে মাত্র নব্বই মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যাবে দিনেমারদের পাড়ায়, যেখানে পরতে পরতে জেগে রয়েছে আজও ১৭৭৫ সালের ইতিহাস।

ভনিতা না করে বলে ফেলা যাক ডেস্টিনেশন পয়েন্টের নাম। যে কোনও ছুটির দিন হানা দিন শ্রীরামপুরের ড্যানিশ ট্যাভার্নে। হলফ করে বলা যায় ঠকববেন না।

কয়েক বছর আগে ডেনমার্ক জাতীয় কমিশনের সঙ্গে মৌ স্বাক্ষর করে  এ রাজ্যের হেরিটেজ কমিশন। সেই চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৬ অক্টোবর শুরু হয় ডেনমার্ক ট্যাভার্ন সংস্কারের কাজ। গত বছরই শেষ হয়েছে সেই ট্যাভার্ন সংস্কারের কাজ। সংসস্কারের কাজে হাত লাগিয়েছে রিয়্যালদানিয়া নামক একটি সংস্থা। ভুতুড়ে বাড়িটা আমূল বদলে গিয়েছে। ইচ্ছে করলে থাকতেও পারেন এখানে।  

১৭৮৬ সালের ক্যালকাটা গেজেটে এই ট্যাভার্ন সম্পর্কে বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছিল। কিছুদিনের মধ্যেই রমরমিয়ে চলে। তারপরে কালের নিয়মে সে সব ফেলে রেখে চলে আসতে হয়েছিল দিনেমারদের। 

এখন এই ট্যাভার্নে একটি রেস্তোরাঁ, একটি ক্যাফে হয়েছে। ধীরে ধীরে বাড়ছে উৎসাহী পর্যটকের ভীড়। হাওড়া স্টেশন থেকে মেরেকেটে ৩০ মিনিট ট্রেনে। শ্রীরামপুর গেলে অবশ্যই একবার বুড়ি ছুঁতে যেতে হবে শ্রীরামপুর ঘাট, শ্রীরামপুর কলেজে।