লকডাউন নিয়ে কেন্দ্রের পথে হাঁটল রাজ্য় সরকার। শনিবার আরও একমাস লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। এরপরই নবান্ন থেকে নির্দেসিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়, আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত রাজ্য়েও লকডাউন থাকবে। 

তবে এই নিয়ম কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে জারি থাকবে ১৫ জুন পর্যন্ত। অন্যান্য জোনে নিয়ম শিথিল করা হবে বলে জানানো হয়েছে। গতকালই রাজ্য়ে সরকারি -বেসরকারি অফিস খোলার অনুমতি দেন মুখ্যমন্ত্রী। লকডাউনে মন্দির, মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বার খোলার ছাড়পত্র দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ১ জুন থেকে রাজ্য অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে। 

রাজ্যের সমস্ত চা এবং পাট কারখানা খোলার পাশাপাশি বাসে যত সিট তত যাত্রী নেওয়ার অনুমতি দেন তিনি। তবে কোনও ধর্মস্থানেই একসঙ্গে ১০ জনের বেশি মানুষ সেখানে ঢুকতে পারবেন না বলেও পরিষ্কার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ঘোষণা করেছে, কোভিড-১৯ কনটেইনমেন্ট জোনগুলিতে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে লকডাউন, অর্থাৎ আরও একমাস ঘরবন্দি হয়েই কাটাতে হবে কনটেইনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের। 

তবে এই এক মাসে কনটেইনমেন্ট জোনগুলির বাইরের সমস্ত এলাকায় পর্যায়ক্রমে সব পরিষেবা, কাজ-কারবার ফের খোলা হবে। এই বিষয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল অমিত শাহ-এর মন্ত্রক। প্রথম ধাপে ৮ জুন থেকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে ধর্মীয় স্থান এবং উপাসনাস্থলগুলি। সেইসঙ্গেই ফের হোটেল, রেস্তোঁরা এবং অন্যান্য আতিথেয়তা পরিষেবা এবং শপিং মলগুলিও খোলার অনুমতি দেওয়া হবে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে খুলবে স্কুল, কলেজ, শিক্ষা / প্রশিক্ষণ / কোচিং প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। তবে এই বিষয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসকদের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে।তৃতীয় ধাপে খোলা হবে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা, মেট্রো রেল, সিনেমা হল, জিমনেসিয়াম, সুইমিং পুল, বিনোদন পার্ক ইত্যাদি। তবে এগুলি কবে খোলা হবে তা পরিস্থিতি নির্ধারণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় কাজকর্ম বাদে সারাদেশে রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত লোক চলাচল কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।