দাম সাংঘাতিক ঠিকই, কিন্তু সেই সঙ্গে তার মানও কিছু কম নয়। গুণমানের দিক থেকে দেখতে গেলে গোলমরিচের তুলনা মেলা ভার।শুধু ভারতে নয়, গোটা বিশ্বেই সর্বাধিক ব্য়বহৃত মশলা হল গোলমরিচ। তার গুণাগুণ এতই যে হাজার হাজার বছর ধরে এর ব্য়বহার চলছে।

এতে উচ্চমাত্রায় অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। আমরা জানি যে ফ্রি ব়্য়াডিক্য়ালস আমাদের শরীরের কোষগুলোকে নষ্ট করে দেয়। কিছু ফ্রি ব়্য়াডিক্য়ালস শরীরে তৈরি হয় স্বাভাবিকভাবেই। যেমন খাবার হজম করার সময়ে আর ব্য়ায়াম করার সময়ে। আর অত্য়ধিক ফ্রি ব়্য়াডিক্য়ালস তৈরি হয় দূষণ থেকে। যেমন, সিগারেটের  ধোঁয়া, অতিবেগুনি রশ্মি। এর থেকে প্রদাহ, অকালে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া, হার্ট ডিজিস আর কিছু ক্য়ানসারের মতো রোগবিসুখের আশঙ্কা থাক। গোলমরিচ বা ব্ল্য়াক পিপারে থাকে অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট পিপারিন। এই অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট শরীরে ক্ষতিকারক ফ্রি ব়্য়াডিক্য়াল তৈরি হওয়া কমাতে অথবা তার ক্ষতিকারক প্রভাব কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য় করে। গোলমরিচে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। পশুদের ওপর পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গোলমরিচ মস্তিষ্কের  বয়সকালীন সমস্য়ার উপসর্গগুলোকে মোকাবিলা করতে সাহায্য় করে। জীবজন্তুর পর, এখন মানুষের ওপর বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা চলছে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে গোলমরিচ সাহায্য় করে বলে মনে করা হয়। তবে এই বিষয়ে এখনও গবেষণা চলছে। রক্তে যদি উচ্চমাত্রায় কোলেস্টরল থাকে, তাহলে তা হার্ট ডিজিসের আশঙ্কা বাড়ায়। পশুদের ওপরে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে, গোলমরিচ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। মানুষের রক্তে কোলেস্টেরল কতটা কমাতে পারে গোলমরিচ, তা নিয়ে গবেষণা চলছে। গোলমরিচে রয়েছে ক্য়ানসার প্রতিরোধী উপাদান। তবে এ নিয়ে আরও গবেষণা চলছে।