আর মাত্র কয়েকঘন্টা। তারপর বন্ধ হতে চলেছে শহরের বিভিন্ন শপিং মল। ইতিমধ্যেই করোনা আতঙ্কের মধ্যে বন্ধ হয়েছে একাধিক স্কুল, কলেজ, অফিস, সিনেমা হল। এবার বন্ধের মুখে বিভিন্ন শপিং মল। ইতিমধ্যেই এই খবর ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের মধ্যে। তারপর থেকেই শপিং মলে ভিড় জমেছে সাধারণ মানুষের। করোনা ভাইরাসের জেরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র শপিং মল থেকে কিনে মজুত করেছেন অনেকেই। এর সঙ্গে মাসের সামগ্রী কিনে মজুদ রাখছেন সকলেই।

আরও পড়ুন-কলকাতায় করোনার থাবা, মোকাবিলায় মাথায় রাখুন কয়েকটি বিষয়...

এই অবস্থায় সবার আগে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস চাল, ডাল, তেলের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বেশি পরিমাণে মজুদ রাখছেন সকলেই। বস্তা বস্তা চাল, পেটি পেটি ডাল, তেল, মশলা মজুত করে রাখছেন প্রত্যেকেই। যদিও এই মুহূর্তে রাস্তায় যানবাহনও কমে গিয়েছে। এমনকী রাস্তায় ভিড়ের সংখ্যাও ক্রমশ কমছে।  যদিও শহরের শপিং মল গুলোতেও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম লোকজন আনাগোনা করছেন। যারা আসছেন তারা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস  কিনতেই আসছেন। করোনা প্রকোপের থেকে বাঁচতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা কেউ জানে না। তাই আগামী এক মাসের জন্য সবাই সব কিনে বাড়িতে মজুত করে রাখছে। 

আরও পড়ুন-রাতে ভালো ঘুমোতে চান , শহরবাসীর জন্য় থাকল সেরা ১২ টি উপায়...


আতঙ্কের আর এক নাম করোনা। একের পর এক শহরে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে এই রোগ। এই করোনা আতঙ্ক এখন ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। । ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সকলেই মরিয়া হয়ে উঠেছেন। করোনার প্রকোপ থেকে সতর্ক থাকতে অনেক অফিসই কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম-এর নির্দেশ দিয়েছেন। মহামারির প্রকোপ থেকে বাঁচতে এই প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ গোটা দেশে অনেক অফিসেই বাড়ি বসে কাজ শুরু করে দিয়েছে।