ডালে বা যে বিশেষ রান্নায় একটা কারিপাতা ফেলে দিলেই হল। ব্য়স। তার স্বাদই পাল্টে যাবে।  কিন্তু যদি ভাবেন, শুধু গন্ধ দিয়েই রাজ্য়জয় করতে চায় এই কারিপাতা, তাহলে তা ঠিক নয়। এর উপকারিতাও কিন্তু কিছু কম নয়।

১০০ গ্রাম কারিপাতা থেকে পাওয়া যায় ১০৮ কিলোক্য়ালোরি শক্তি পাওয়া যায়। কার্বোহাইড্রেট ১৮.৭ গ্রাম পাওয়া যায়। ফাইবার ৬.৪ গ্রাম। প্রোটিন ৬.১ গ্রাম। মিনারেল ৪ গ্রাম। ফ্য়াট ১ গ্রাম। জল ৬৩ .৮ গ্রাম। ক্য়ালশিয়াম ৮৩০ মিলিগ্রাম। ফসফরাস ৫৭ মিলিগ্রাম। আয়রন ০.৯৩০ মিলিগ্রাম। কপার ০.১০০ মিলিগ্রাম। ম্য়াগনেশিয়াম ৪৪ মিলিগ্রাম। জিঙ্ক ০.২ মিলিগ্রাম। ম্য়াঙ্গানিজ ০.১৫০ মিলিগ্রাম। ক্রোমিয়াম ০.০০৬ মিলিগ্রাম।  থায়ামিন ০.০৮০ মিলিগ্রাম। রাইবোফ্লেবিন ০.২১০ মিলিগ্রাম। নিয়াসিন ২.৩ মিলিগ্রাম। ভিটামিন-সি ৪ মিলিগ্রাম। এছাড়া থাকে ক্য়ারোটিন ও ফলিক অ্য়াসিড।

চুলের গোড়া শক্ত করে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য় করে কারিপাতা। খুশকি দূর করতেও কার্যকরী ভূমিকা নেয় কারিপাতা। এমনকি অকালপক্কতা রোধেও কারিপাতা কাজ করে।

ত্বকের ব়্যাশ, পুড়ে যাওয়া, কোনও পোকামাকড়ের কামড়ানোয় চিকিৎসায় কারিপাতার লাগালে ভাল কাজ করে। লিভারের সুরক্ষায়, বিশেষ করে সিরোসিসের জন্য় খুব উপকারি এই কারিপাতা। বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে লিভারকে বাঁচাতে  পারে কারিপাতা। ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ কারিপাতা, দৃষ্টিহীনতা রোধ করতেও সাহায্য় করে। রেটিনার স্বাস্থ্য়রক্ষাতেও কাজ করে কারিপাতা।  এই পাতায় থাকা আয়রন অ্যানিমিয়াকে দূরে রাখে। কারিপাতা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ওজন কমাতে সাহায্য় করে। যার ফলে হার্টের জন্য় খুব উপকারী কারিপাতা। এর সুগন্ধ হজমেও সাহায্য় করে। সেই কারণে খাবার তৈরির সময়ে কারিপাতার ব্য়বহার এত বহুল।