পুজোর সময় সারা রাত জেগে ঠাকুর দেখে অনেক সময়ই পর্যাপ্ত জল খাওয়া হয়না। তাই অবশ্যই সঙ্গে জলের বোতল রাখুন। যে সময়টা বাড়ি থাকছেন, তখন অনেকটা পরিমাণে জল খেয়ে নিলেন। কিন্তু বাইরে থাকাকালীন তেমন জলই খেলেন না।তাতে কিন্তু শরীরে জলের ভারসাম্য মোটেই বজায় থাকেনা। কারন সারাদিনই আমাদের শরীরে জলের প্রয়োজন। তাই জল টা সারাদিনই খান, তবে অতিরিক্ত জল কখনই খাবেন না। শরীরে জলের পরিমান কমে গেলে যেমন ডিহাইড্রেশন হয়, তেমনই বেশি পরিমান জল খেলে  ওভার-হাইড্রেশন হতে পারে। আর এর ফলেই নানা সমস্যা শরীরে দেখা দেখা যায়। যার মধ্যে প্রধান, শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যাওয়া। 

হাইপোনেট্রিমিয়া বা শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়ার জন্য শরীরের উপর খুব খারাপ প্রভাব পড়ে। প্রধানত তা মস্তিষ্কের উপর প্রভাব ফেলে। মাথায় আঘাত বা হৃদরোগজনিত সমস্যা থাকলে সাধারণত হাইপোনেট্রিমিয়ার সম্ভাবনা থাকে। মস্তিষ্কের হাইড্রেশন সেনসিং মেকানিজমে এটি অসুবিধার সৃষ্টি করে। তাই পর্যাপ্ত পরিমানে জল না খেলে ডিহাইড্রেশন তো হবেই। আর ডিহাইড্রেশন হলে তা যেভাবে মস্তিষ্কের হাইড্রেশন সেনসিং নিউরন চিহ্নিত করতে পারে। আবার অন্য দিকে অতিরক্ত জল খাওয়ার ফলে ওভারহাইড্রেশনের ক্ষেত্রে নিউরন তা চিহ্নিত করতে পারে না। তাই জল বেশি খাওয়া বা কম খাওয়া দুটোই অসুবিধার সৃষ্টি করে। 

সুতরাং মাথায় রাখতে হবে ঘন ঘন জল খাওয়ার অভ্যেসটা মোটেই ভাল না। বিশেষজ্ঞের মতে সারাদিনই জল খান, কিন্তু নিয়মকরে বুঝে জল খান।  তাই সারিদিনের বাকি খাবারের সঙ্গে জল খাওয়ারও একটা ব্যালেন্স করুন।