চুলের অকালপক্কতা ভাবিয়ে তোলে প্রায় সবাইকে। অনেক স্টাইল হিসেবে ক্যারি করতে পারলেও, বেশিরভাগই রং করে লুকোতে চায়। এই সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধানে কাজে আসতে পারে রান্নাঘরে থাকা দুটি উপকরণ। আসুন দেখে নিই কী সেগুলি।

তৈরী হওয়ার সময় আয়নায় তাকালেই জ্বল জ্বল করে সাদা চুল। কোনো ভাবেই আর ঢাকা যাচ্ছে না। এদিকে রাসায়নিক মিশ্রিত রং লাগালে চুল রুক্ষ ও ঝরে যাওয়ার সমস্যা হচ্ছে। হেনা করে আবার লাল হয়ে যাচ্ছে চুল। তবে চুলের ঘন কালো রং ধরে রাখবো কী উপায়ে? চিন্তায় যেন আরও ঝরে যাচ্ছে চুল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুধু বার্ধক্যই নয়, মানসিক চাপ, ভুল খাদ্যাভ্যাস, পেটের সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন, দূষণ, ঘুমের অভাব - এসবের কারণে চুলে পাক ধরে দ্রুত। এই পরিস্থিতিতে রাসায়নিক মিশ্রিত রং ব্যবহারের পরিবর্তে ঘরোয়া প্রতিকার ভরসা রাখতে পারেন, যা চুককে আগের মতো সতেজ করে তুলবে। রান্নাঘোরে রাখা মাত্র ২টি উপকরণ, তাতেই ফিরবে আপনার চুলের রং - মেথি আর সর্ষের তেল।

সর্ষের তেলের গুনাগুণ

* সর্ষের তেল চুলের গোড়ায় প্রবেশ করে ভেতর থেকে মজবুত করতে সহায়ক * মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখে, ফলে চুল পড়া কমে * মাথার ত্বক উষ্ণ রেখে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, ফলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয়

মেথির গুনাগুণ

* মেথিতে প্রচুর পরিমাণ আয়রন, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা চুলে পুষ্টি যোগায় * চুলের অকালপক্কতা স্থির করে * মাথার ত্বকে সংক্রমণ এবং খুশকির সমস্যার প্রতিকার করে

কীভাবে বানাবেন এই তেল?

সরষের তেল এবং মেথি একসাথে ব্যবহার করলে চুল ভালো থাকবে। এর জন্য একটি ছোট পাত্রে কিছুটা সরষের তেল এবং ২ চামচ গোটা মেথির বীজ নিতে হবে। কম আছে ৫-৭ মিনিট নিতে হবে। মেথির রঙ গাঢ় বাদামি হয়ে সুগন্ধ বেরোবে, তখন বুঝতে পারবেন তেল তৈরী। আঁচ বন্ধ করে তেল সম্পূর্ণ ঠান্ডা হলে তখনই ব্যবহার করে নিতে পারেন, প্রয়োজনে সংরক্ষণ করতে পারেন কাঁচের পাত্রে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

মেথি, সর্ষের তেল মাথায় মাখতে হালকা হাতে ৫-১০ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করে নিন। অন্তত ঘন্টা খানেক রেখে তারপর শ্যাম্পু করুন। সারা রাত রেখে দিতে পারলে আরও ভালো। পরের দিন সকালে মাইল্ড কোনো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার ব্যবহার করুন।