আপনার বাচ্চার মধ্য়ে প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে না তো প্রোটিন প্রোটিন করে হইচই করা যেমন ঠিক নয়, তেমন এটাও দেখা উচিত, প্রোটিনের ঘাটতি যেন না-হয়। বড়দের তো বটেই, তবে ছোটদের ক্ষেত্রে আরও বেশি করে নজর রাখা উচিত। বড়দের ক্ষেত্রে প্রোটিন কোষগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে। আর ছোটদের ক্ষেত্রে প্রোটিন মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

দুধ খুব দরকারি একটি খাবার বা পানীয়। ছোটরা অনেক সময়ে দুধ না-খাওয়ার বায়না করে। সেক্ষেত্রে চকোলেট বা স্ট্রবেরির এসেন্স মিশিয়ে দিতে পারেন। দেখবেন আপনার বাচ্চা চোঁচোঁ করে খেয়ে নিচ্ছেন দুধ। শুধু দুধই নয়, সেইসঙ্গে ছানাও দিতে পারেন মাঝেমধ্য়ে। আর বাড়ির  পাতানো টকদই বা দুধের দোকান থেকে কিনে আনা প্য়াকেটের টকদই অল্প একটু চিনি আর নুন মিশিয়ে দিতে পারেন বাচ্চাকে। পেটের পক্ষে খুব উপকারী।

এই বয়সে ডিম খাওয়া খুব জরুরি। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য়। তাই পারলে প্রতিদিনই একটা করে ডিম খাওয়ান। আর বাচ্চা যদি মাছ খেতে আপত্তি না-করে, তাহলে তো কোনও কথাই নেই। মাছ হল সবচেয়ে সহজপাচ্য় প্রোটিন। একটু-আধতু কুঁচো মাছও মাঝেমধ্য়ে খাওয়ান। আর চিকেন তো চলতেই পারে। কোনও সমস্য়াই নেই।

মনে রাখবেন, নিরামিষ প্রোটিনের মধ্য়ে সবচেয়ে ভাল হল সয়াবিন। তাছাড়া নিউট্রিলার তরকারি তো খেতেও মন্দ লাগে না।  তাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মাঝেমধ্য়েই সয়াবিনের পদ রান্না করুন। আর হ্য়াঁ, ছোট থেকেই যাতে আপনার বাচ্চা বিভিন্নরকমের ডাল খাওয়া অভ্য়েস করে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। জেনে রাখবেন, বড় হয়ে যাঁরা মাছ-মাংস ছেড়ে দে, তাঁরা কিন্তু বিভিন্নরকম ডাল দিয়েই তাঁদের প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে।