সারা বিশ্বে পয়লা অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর অবধি পালিত হয় স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস। বিশ্বজুড়ে সাধারণত ৫০ বছরের উর্দ্ধে বয়সী মহিলাদের মধ্যে এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এই বিষয়ে নারীদের সচেতন করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হলেও, বর্তমানে মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদেরও সচেতন করা হচ্ছে। বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলেই স্তন ক্যানসার চিহ্নিত করা হয়, এই অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে স্তনের মধ্যে শক্ত মাংসপিণ্ড সৃষ্টি হয়। যদিও বিভিন্ন রকম ক্যানসারের মধ্যে এটি চিকিৎসাযোগ্য। প্রথমে শনাক্ত করা না গেলে, এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।

আরও পড়ুন- লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি কমাতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি

স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে কিছু জিনগত পরিব্যক্তিও অনেক সময়েই দায়ী হয়ে থাকে। এমনকি সারা বিশ্বের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৫-১০% স্তন ক্যান্সার জিনগত পরিব্যক্তির কারণেই হয়ে থাকে। ডাক্তারি মতে, যে সব মহিলাদের ফার্স্ট ডিগ্রী আত্মীয়দের মধ্যে যদি কারও স্তন ক্যান্সার ধরা পরে তবে তাদের ৪০-৫০ বছরের মধ্যে স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের থেকে প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। ৫% এর কম ক্ষেত্রে দেখা যায় যে জিনগত পরিব্যক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সম্প্রতি হু-এর এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, এই রোগে ৪ লক্ষ ৫৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। জেনে নেওয়া যাক এই মারণরোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলি।

আরও পড়ুন- চোখের খিদেতে বাড়ছে ওজন, নিয়ন্ত্রণে রাখুন এই খাই-খাই ভাবকে

স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হলে স্তনবৃন্ত থেকে এক ধরণের তরল নির্গত হয়।
অস্বাভাবিকভাবে স্তনের ত্বক কুঁচকে যাওয়া
স্তনের ভিতরে যে ছোট শক্ত মাংসল পিণ্ডগুলি অবস্থান পরিবর্তন করে না সেগুলি ক্যান্সারের উপসর্গ হলেও হতে পারে।
ঋতুচক্রের সময় ছাড়াই স্তনে ও একইসঙ্গে বগলে ব্যাথা।
স্তনের রং এবং আকারের পরিবর্তন হলে
এছাড়াও স্তনের ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।