বর্তমানে যে ভাবে বাজারদর বাড়ছে, সেই তুলনায় মানুষের চাহিদাও বাড়ছে। এদিকে পছন্দের জিনিস কিনতে কিনতে অনেক সময় মাসের শেষে হাল খারাপ। তাই ঘনঘন কেনা করে টাকা অপচয়ের থেকে বেরোতে চেয়েও বেরোতে পারছেন না। তাহলে জেনে নিন, কীভাবে আপনার কেনাকাটি নিয়ন্ত্রনে আনবেন।

আরও পড়ুন, থাইরয়েডের সমস্যা আছে কি না, বুঝে নিন এই লক্ষণগুলি দেখে

প্রথমত, আপনার প্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকা বানিয়ে কেনাকাটা করতে যান। মাসে দু বারের বেশী শপিং মল যাবেন না। চেষ্টা করুন মাসে একবার যেতে। কেনাকাটা করার আগে আপনার কী কী প্রয়োজন তার তালিকা বানিয়ে নিয়ে যান। সেই তালিকার বাইরে গিয়ে কেনাকাটা করবেন না। মাসের শুরুতে মাইনে পাওয়ার পর মাসিক বাজেট করে নিন। সেই বাজেট অনুযায়ী কেনাকাটা করুন। বাজেট পেরোতে দেবেন না। কারণ বাজেট তৈরির সময় সঞ্চয় মাথায় রেখে বাজেট করেছিলেন। বাজেটের বাইরে খরচা করলে সঞ্চয়ের পরিমাণ কমে যাবে। আজকাল বেশির ভাগ কেনাকাটাই হয় অনলাইন করা হয়, নয়তো দোকানে গিয়ে ক্রেডিট অথবা ডেবিট কার্ডে পে করা হয়।  তাই সপ্তাহে দু দিন অন্তর নেট ব্যাঙ্কিং এ ট্রাঞ্জাকশনের দিকে খেয়াল করুন।

আরও পড়ুন, আকর্ষনীয় ফিচার-সহ আসতে চলেছে রিয়েলমি সি থ্রি, রইল বিস্তারিত

বিজ্ঞাপন দেখলে ভাবনা চিন্তা করে তবেই কিনুন। আজকাল রাস্তাঘাটে, মোবাইলে, সোশাল মিডিয়ায় যত্রতত্র নানা পণ্য সামগ্রীর বিজ্ঞাপন দেখতে পান আপনি। আর সে সব দেখে আপনার চাহিদা তৈরি হয়। বাজার কিন্তু আমাদের মধ্যে এই চাহিদাটাই তৈরি করে দিতে চায়। এবং আপনার সত্যিকারের প্রয়োজনের তুলনায় চাহিদার তালিকাটা ক্রমশ লম্বা হতে থাকে, হতেই থাকে। তাই এই সর্বত্র বিরাজমান বিজ্ঞাপন থেকে সাবধান। ফ্রি দেখলেই  ঝোঁকে পড়ে কিনবেন না।  এই ধরণের লোভনীয় অফারের ফাঁদে পা দেবেন না একেবারেই। এবার এই অফারটি আকর্ষণীয় লাগছে বলেই কিন্তু কিনতে যাবেন আপনি। অথচ শুধুমাত্র নিজেকে কেনাকাটি থেকে বিরত রাখতে না পেরে লোভে পড়েই কিনে নিলেন এক জোড়া ঘড়ি, সঙ্গে তিন তিনটে পার্ফিউমের সেট। এবার সেই ঘড়ির সঙ্গে মানানসই পোশাক কিনবেন। পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতো। এরকম চলতেই থাকবে। একবার এই ফাঁদে পড়লে বেরনো খুব মুশকিল।