লিভ-ইনে থাকার আগে আইনি দিকগুলি জানা জরুরি। শিশুদের অধিকার সুরক্ষিত, মহিলাদের ঘরোয়া হিংসা থেকে সুরক্ষা। মিথ্যা অভিযোগ এড়ানোর উপায়ও আছে।

সম্পর্ক ডেস্ক। প্রেমের পর আজকাল বেশিরভাগ দম্পতি বিয়ের আগে একে অপরকে বোঝার জন্য লিভ-ইন সম্পর্কে থাকতে শুরু করেছেন। ভারতেও এই প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি আপনিও লিভ-ইনে থাকার পরিকল্পনা করছেন, তাহলে এর সাথে জড়িত কিছু আইনি দিকগুলি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক ৩ টি গুরুত্বপূর্ণ আইন সম্পর্কে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

লিভ-ইন সম্পর্কে আইনি অধিকার

লিভ-ইন পার্টনাররা একসাথে থাকলেও তাদের বিবাহিত দম্পতিদের মতো আইনি অধিকার নেই। যদি উভয় আলাদা হয়ে যায়, তবে তারা একে অপরের সম্পত্তির উপর অধিকার বা ভরণপোষণ দাবি করতে পারে না।

লিভ-ইন সম্পর্কে জন্ম নেওয়া শিশুদের অধিকার

লিভ-ইন সম্পর্কে থাকাকালীন যদি সন্তান হয়, তবে সে সমস্ত অধিকার পায় যা বিবাহিত দম্পতির সন্তান পায়। তাকে সমান আইনি অধিকার প্রদান করা হয়।

ঘরোয়া হিংসা আইন, ২০০৫ এর আওতায় সুরক্ষা

যদি লিভ-ইন সম্পর্কে কোনও মহিলা ঘরোয়া হিংসার শিকার হন, তবে তিনি ঘরোয়া হিংসা আইন, ২০০৫ এর আওতায় সুরক্ষা চাইতে পারেন। এই আইন "বিবাহের প্রকৃতির" অনুরূপ সম্পর্কগুলিকেও স্বীকৃতি দেয়। এই আইনের আওতায় মহিলারা আর্থিক সাহায্য, ভরণপোষণ, চিকিৎসা ব্যয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন।

মিথ্যা অভিযোগ থেকে কীভাবে বাঁচবেন?

লিভ-ইন সম্পর্কে সম্ভাব্য মিথ্যা অভিযোগ এড়াতে, আপনার কথোপকথন এবং কাজের লিখিত রেকর্ড রাখা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনার সঙ্গী হুমকি দেয়, তাহলে অবিলম্বে পুলিশে অভিযোগ করুন।

নিষেধাজ্ঞা আদেশ বা সুরক্ষা আদেশের দাবি

লিভ-ইন সম্পর্কে কোনও মহিলা "বিবাহের প্রকৃতির" অনুরূপ সম্পর্কে থাকলে নিষেধাজ্ঞা আদেশ বা সুরক্ষা আদেশের দাবি করতে পারেন। প্রতিটি মহিলার লিভ-ইন সম্পর্কে থাকার আগে আইনি দিকগুলি অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত। যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়।