অনেকেরই ধারণা যারা যমজ হয় তারা এক দেখতে হয়। তা কিন্তু নয়, বরং বলা ভাল কাছাকাছি দেখতে হয়। তাহলে হুবহু একই রকম দেখতে যমজ কি হয় না। অবশ্য়ই হয় এবং একই ধরণের চেহারার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও যমজদের মধ্যে দেখা যায় আচরণগত ভিন্নতা। বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলে  আইডেন্টিক্যাল টুইন। যে সব যমজের দেখতে  পুরোপুরি একই রকম, তাঁদের ক্ষেত্রেই মূলত  আইডেন্টিক্যাল টুইন  কথা টি ব্যবহৃত হয়। এদের শরীরে একই ধরণের জিন বহন করলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তাঁদের আচরণ কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা। গবেষকদের মতে, একই চেহারার যমজদের আচরণে পরিবর্তন আসার কারণ   তাঁদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা। সাধারণত, পরিবেশের কারণে, যমজদের শরীরে থাকা জিন-এ কিছু পরিবর্তন চলে আসে। এর ফলে যমজদের আচরণ আলাদা হয়ে যায়।

আরও পড়ুন, জিওর নয়া চমক, এবার মাত্র ৫ টাকায় মিলবে অতিরিক্ত ২ জিবি ডেটা

অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় বাড়ির পোষ্য়রাও যমজদের হুবহু দেখতে হলেও অনায়াসে চিনে ফেলে। আসলে যমজদের শরীরের ঘ্রাণ নিয়েই  আলাদাভাবে চিনতে পারে কুকুর।   বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আত্মীয়সজনরাও হুবহু একই চেহারার যমজদের আলাদা করতে পারেন না। কিন্তু প্রশিক্ষিত কুকুরদের জন্য এটা তেমন কোনও ব্যপারই নয়। তারা শরীরের গন্ধ শুঁকে একই চেহারার এবং ভিন্ন চেহারার যমজদের আলাদা করে চিনতে পারে।

আরও পড়ুন, ধূমপানের ফলে ঠোঁটে কালো ছোপ, সুরাহা পেতে মাথায় রাখুন পাঁচটি টিপস  

  সাম্প্রতিককালে যমজ সন্তান জন্মের হার আগের থেকে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ১৯৮০ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই বৃদ্ধির হার ছিল ৭৬ শতাংশ। ১৯৮০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সদ্যভূমিষ্ঠ প্রতি ৫৩ শিশুর মধ্যে মাত্র একজন যমজ হত। ২০০৯ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  প্রতি ৩০ জনে একজন জমজের জন্ম হয়েছে । গবেষকদের মতে এর অন্য়তম কারণ, প্রজনন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বর্তমান সময়ে বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলেই এই মিউটেশন ঘটেছে। একই সঙ্গে  ৩০ বছরের উপরের বয়সী মহিলাদের মধ্যেও ক্রমশ যমজ সন্তান জন্মদানের প্রবণতা বাড়ছে।