আমাদের শাকসবজিকে বলা হয় ন্য়াচারাল পার্গেটিভ। পেট পরিষ্কার রাখতে এদের জুড়ি মেলা ভার। আজকের ফাস্টুফুড অধ্য়ুষিত জীবনযাত্রায় তাই এই সবজির ভূমিকা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। আর তাই দেখা দিচ্ছে নানা সমস্য়া। শুধু তো কোষ্ঠকাঠিন্য় নয়, সেইসঙ্গে রয়েছে আরও অনেক সমস্য়া ও তার সমাধান।

একে একে আসি। ঢেঁড়স খেলে পেটের সমস্য়া দূর হয়। এটি ভীষণভাবে ল্য়াক্সেটিভের কাজ করে। করোলা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সেইসঙ্গে বলা হয়, কৃমির সমস্য়াও দূর করে। দৃষ্টিশক্তির বিকাশ ঘটায়। লাউ কিন্তু একইভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে। কেউ কেউ তো আবার বলেন, লাউয়ের রস অম্বল দমনে ভীষণ কার্যকরী। মনে করা হয়, দেহে জলের ভারসাম্য় রাখে এই লাউ। কথায় বলে বেগুনের নাকি কোনও গুণ নেই। কিন্তু তা একদমই ভুল। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এই বেগুন। সেইসঙ্গে শুনলে অবাক হবেন, হার্ট অ্য়াটাকের সম্ভাবনাও কমায় বেগুন। কচুর লতি অ্য়ানিমিয়ার হাত থেকে বাঁচায়। বিট লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। হার্ট ভাল রাখে। রক্তাল্পতা দূর করে। বিটের পরেই আসা যাক গাজরের কথায়। গাজরে থাকে ভিটামিন-এ। চোখের সমস্য়ায় দারুণ কাজে দেয় এই ভিটামিন। সেইসঙ্গে গাজর খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। পিত্ত রোগেও দারুণ কাজে দেয় এই গাজর। শরীরের শক্তি বাড়ে।

পটলকে সেভাবে সম্মান না-করলেও এর গুণ কিন্তু কোনও অংশে কম নয়। হার্টের পক্ষে খুব উপকারী এই পটল। সেইসঙ্গে হজমেও সাহায্য় করে।  পেঁপে, সে কাঁচা পেপেই হোক  কি পাকা পেপে, এর জুড়ি মেলা ভার। ফ্য়াটি লিভারের মোক্ষম দাওয়াই এই পেপে। পেটের অসুখ সারিয়ে তোলে পেপে। হার্ট শক্তিশালী হয় পেপে খেলে।

অতএব সবজি খেয়ে যান। দেখবেন, ডায়েটে যেন সবজির পরিমাণ খুব কম না থাকে। জেনে রাখবেন, এই বিভিন্ন ধরনের সবজিই কিন্তু ক্য়ানসার-সহ নানা রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।