প্রতিটি দিনই পরিবারের জন্য, মা-বাবার জন্য চিন্তা করতে হয়, খেয়াল রাখতে হয়। কিন্তু একটা বিশেষ দিন তো থাকতেই পারে সেই সম্পর্কগুলোকে সেলিব্রেট করার জন্য। একথা ঠিক শুধু প্রত্য়েকটা দিনই মা-কে ভালবাসার। কিন্তু একটা দিন যদি তাঁকে অবাক করে তার মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারেন। 

তাই জেনে নিন এই মাদার্স ডে-তে মাকে কী উপহার দিলে, মায়ের কাছে দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে- 

১) স্মৃতি সবার কাছেই বড় মধুর। মা এখন সংসার নিয়ে ব্যস্ত মানে তো এই না যে তিনি তাঁর জীবনে নস্টালজিয়া নেই। সেই স্মৃতি রোমন্থনে মা-কে একটু সাহায্য করুন। মা-এর ছোটবেলার বা কলেজ জীবনের ছবি কোলাজ করে একটি ফোটো ফ্রেম করে দিন। 

২) উপহারের মধ্যে অন্যতম হলো বই। বই যাকেই দিন, আপনি তাঁর কাছে চিরন্তন হয়ে থাকবেন। রোজকার কাজের মাঝে আপনার দেওয়া বই পড়তে পারলে আপনার মা-ও খুশি হবেন। 

৩) ছোট বেলায় কি মা ভাল ছবি আঁকতেন, বা গান গাইতেন! এখন কাজের চাপে ছোট বেলার শখ যাতে তিনি জাগিয়ে তুলতে পারেন, তাই মা-কে রং, তুলি আর ছবি আঁকার খাতা উপহার দিন। গান গাইতে ভালবাসলে হারমোনিয়াম বা গীতবিতান কিনে দিন। 

৪) অফিস আর বাড়ি দুটোই একসঙ্গে সামাল দেন আপনাক মা! তাহলে কাজের একঘেঁয়েমি কাটানোর জন্য মা-কে সারেগামা ক্যারাভান উপহার দিন। 

৫) বাঙালি মায়েদের কাছে শাড়ি মানে এক অমূল্য উপহার। আর তা-ও যদি নিজের সন্তানের দেওয়া হয় তাহলে তার মূল্য দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাই এদিন শাড়ি দিতেই পারেন। এর কোনও বিকল্প হয় না। 

৬)মা কি কর্মরতা। তাহলে একটা জিনিস তাঁর সবসময়েই প্রয়োজন। সেটা হলো একটা ভাল ব্যাগ। এই গরমে একটা একটা বড় ব্যাগ দিন যাতে ছাতা, জলের বোতল সব ধরবে। 

৭) মা কি বেড়াতে পছন্দ করেন! কাজের চাপে আর সেই সময় করতে পারেন না! তাহলে পরের উইকেন্ডে মা-কে নিয়ে বেড়িয়ে আসার প্ল্যান করুন। ট্রেনের বা বিমানের টিকিটটাই মাকে উপহার হিসেবে দেখান। 

৮) মা কি ঘর সাজাতে পছন্দ করেন। তাহলে মাকে কোনও আসবাব কিনে দিতে পারেন। ঘর সাজানোর জন্য গাছ, ওয়াল পেন্টিং, ইত্যাদি উপহার দিতে পারেন। 

৯) মা যদি সাজগোজ পছন্দ করেন বিভিন্ন ধরনের গয়না উপহার দিতে পারেন। বাজেট বেশি থাকলে সোনার গয়নাও কিনে দিতে পারেন। 

১০) ঘড়ি উপহারে দিতে পারেন। ঘড়ি দেওয়া মানে সময় দেওয়া। আর সময়ের চেয়ে দামী আর কি আছে। তাই ঘড়ি কিনে দিন। মা খুশিই হবেন।