মুসলীম সম্প্রদায়ের রমজান মাস শুরু হওয়ার পর হাতে থাকে মোট তিনটি দফার ভোট, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম। ৫ই মে রমজান শুরু হওয়ার ফলে বাকি থাকা তিন দফার ভোটের সময় সকাল সাতটার বদলে ভোর পাঁচটায় শুরু করার আবেদন জমা পরেছিল কমিশনের কাছে, কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করল নির্বাচন কমিশন।

গত সোমবার অর্থাৎ ২৯ শে এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের কাছে এবিষয় আবেদন করেন দুই আইনজীবি, মহম্মদ নিজামুদ্দিন পাশা ও আসাদ হায়াত। কিন্তু এই বিষয় নির্বাচন কমিশনের উদাসীনতার দেখে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান তারা। বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট পুনরায় নির্বাচন কমিশনকে এবিষয় সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আদেশ দেয়। সেই সূত্র ধরেই নির্বাচন কমিশন থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ভোট গ্রহণের সময়সীমা এগিয়ে আনা সম্ভবপর নয়। ফলত আবেদন খারিজ হয়ে গিয়ে সকাল সাতটা থেকেই নিয়মমাফিক শুরু হল ৬ই মে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহন।

চলতি বছর মে মাসের পাঁচ তারিখ থেকে শুরু হয় রমজান, শেষ হবে জুন মাসের ছয় তারিখে। গরমের দিনে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে তাদের সমস্যা হওয়ার কারনেই এই আবেদন। হাতে পঞ্চম দফা নিয়ে মোট দুটি ভোট পর্ব এখনও বাকি। অপরদিকে ক্রমেই বাড়ছে গরমের দাপট, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের মতে সময় এগোলে বেড়ে যাবে ভোট গ্রহণের নির্ধারিত সময়সীমা, নয়তো নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ করতে হবে ভোটগ্রহণ পর্ব, দুয়ের ক্ষেত্রেই সমস্যা হতে পারে, সেই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই আবেদন খারিজ করলেন কমিশন।