লোকসভা নির্বাচন ২০১ শেষ দফায় পশ্চিমবঙ্গের টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। আগে থেকেই হিংসার আসঙ্কা করে নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যে ৩২৪ ধারা লাগু করেছে। যার ফলে নির্বাচনী প্রচারের সময় শুক্রবার থেকে একদিন এগিয়ে বৃহস্পতিবার ধার্য হয়েছে। আর এই সবটাই হয়েছে তাঁকে আটকাতে, এমনটাই দাবি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্য়ায়ের। এদিন মধুরাপুরের এক জনসভা থেকে তিনি সরাসরি অভিযোগ কললেন 'নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপির ভাই'।

তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, বুধবার রাতেই তাঁরা খবর পেয়েছিলেন বিজেপি, নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এমন ব্যবস্থা করছে, যাতে নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গে সভা করার পর আর কেউ সভা করতে না পারে। এরপরই মমতা বলেন, আগে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ছিল। কিন্তু এখন দেশের সবাই বলছে 'কমিশন বিজেপির কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে'।

তিনি আরও জানান, এই কথাটা বলতে তাঁর দুঃখ হচ্ছে। কিন্তু কিছু করার নেই।  বলার জন্য হয়তো তাঁকে জেলে যেতে হতে পারে। কিন্তু তিনি তার পরোয়া করেন না। কারণ এটাই সত্য। আর সত্যি বলতে তিনি কখনও ভয় পান না।  

তাঁকে এই ভাবে কৌশলে আটকানোও যাবে না বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী। কমিশন প্রচারের দিন কমিয়ে আনায়, তিনিও শুক্রবারের সব কর্মসূচী বৃহস্পতিবার এগিয়ে নিয়ে এসেছেন।  

মমতা একাই নন, বিরোধী দলগুলির অনেক নেতাই গত এক-দেড় মাসে কমিশনের বিরুদ্ধে বিজেপির স্বার্থে কাজ করার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে তৃণমূল নেত্রীর মতো প্রকাশ্য সভায় 'বিক্রি'হয়ে যাওয়ার অভিযোগ কেউ করেননি। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জনসভায় এইকম মন্তব্য করার জন্য কমিশন এখন মমতার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, সেটাই দেখার।