বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছিলেন, এই ফল তিনি মানেন না। এটা বিজেপির আরেকটি কৌশল। এইভাবে একটা জয়ের পরিবেশ তৈরি করে স্ট্রংরুমে ইভিএমগুলি বদলে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। মঙ্গলবার ইভিএম বদল নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দেশের দুই প্রান্তের দুই প্রাক্তম মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও রাবরি দেবী।

আরও একটা বালাকোট

জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন শরিক দল পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি এদিন টুইট করে বলেন, ইভিএম বদলে দেওয়ার দোরালো প্রমাণ রয়েছে। তবু এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন কেন মুখে কুলুপ এঁচে রয়েছে এই নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকে আদৌ কোনও জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে কি না তাই নিয়ে আগে প্রশ্ন তুলেছিলেন মেহবুবা। এদিন তিনি বলেন, মোদী জিতছেন এরকম একটি ছদ্ম ঢেউ তোলা হয়েছে। তাকে সমর্থন জোগানো হয়েছে বুথ ফেরত সমীক্ষার ভুয়ো ফল দিয়ে। এরপর ইভিএম বদলে দিয়ে আরেকটি 'বালাকোট' ঘটানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

Worrying that despite solid evidence about EVMs being switched, @ECISVEEP hasnt clarified any of these concerns. A farcical wave backed by dubious exit polls followed by manipulating EVMs is another Balakot in the making.

— Mehbooba Mufti (@MehboobaMufti) May 21, 2019

ট্রাকে, গাড়িতে ইভিএম - কোথা থেকে আসছে?

প্রায় একই রকম প্রশ্ন তুলেছেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি নেত্রী রাবরি দেবী। এদিন তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বেশ কয়েকটি টুইট করেছেন। প্রথম টুইটে তিনি ইভিএম বদল-এর প্রসঙ্গ তুলেছেন। তিনি বলেন স্ট্রংরুমের আশপাশে ইভিএম উদ্ধার হচ্ছে। ট্রাক ও ব্যক্তিগত যানবাহনে ইভিএম ধরা পড়েছে। এগুলি কোথা থেকে আসছে, কোথায় যাচ্ছে? কখন, কেন, কারা এবং কার জন্য তা গ্রহণ করছেন? এটা কি আগেই ঠিক করা ছিল? নির্বাচন কমিশনের এই প্রশ্নের উত্তরগুলি অবিলম্বে স্পষ্ট করা উচিত বলে তিনি দাবি করেছেন।

देशभर के स्ट्रोंग रूम्स के आसपास ईवीएम की बरामदगी हो रही है। ट्रकों और निजी वाहनों में ईवीएम पकड़ी जा रही है।

ये कहाँ से आ रही है,कहाँ जा रही है? कब,क्यों,कौन और किसलिए इन्हें ले जा रहा है? क्या यह पूर्व निर्धारित प्रक्रिया का हिस्सा है?चुनाव आयोग को अतिशीघ्र स्पष्ट करना चाहिए।

— Rabri Devi (@RabriDeviRJD) May 21, 2019

বাকি টুইট-দুটিতে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের 'জোট' হওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানিয়েছেন নানান চাতুরি করে তাঁণর ছেলে-মেয়েকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।