সপ্তম দফার ভোট দিয়েই রবিবার সমাপ্ত হয়েছে সতেরোতম লোকসভা নির্বাচন পর্ব। দীর্ঘ আড়াইমাস যাবত ভোটযুদ্ধের লড়াইয়ে মেতে উঠেছিল দেশ। এখন সকলেই অপেক্ষায় রয়েছেন ২৩ তারিখের। কারণ ওই দিন-ই পরিষ্কার হয়ে যাবে সতেরোতম লোকসভা নির্বাচনে জয়ী দলের নাম। এমনকী কেন্দ্রে সরকার গঠনের ছবিটাও স্পষ্ট হবে। ফলে এখন কাউন্ট-ডাউন চলছে জোর-কদমে। এমনই এক উত্তেজনাকর পরিবেশে চুপিসারে পুরীর মন্দিরে পুজো দিলেন যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। 

রবিবার লোকসভা নির্বাচনের শেষদফা ছিল। আর সেদিন সারাটা দিন নিজেকে বন্দি করে রেখেছিলেন মিমি। কারণ তিনি সাধারণ মানুষকে ভোটদানের সময় বিব্রত করতে চাননি। আর এই ভোটপর্ব মিটতেই পুরী চলে যান মিমি। জগন্নাথদেবে প্রবল আস্থা তাঁর। ২৩-এর ফলে জগন্নাথদেব তাঁকে সফল হিসাবেই প্রতিষ্ঠিত করবেন বলে বিশ্বাস রাখেন মিমি। মঙ্গলবার যার জন্য সকাল-সকাল মন্দিরে গিয়ে জগন্নাথদেবের চরণে পুজো নিবেদন করেন। ভোগও ভক্ষণ করেন। এখন তিনি কলকাতার পথে। ২২ তারিখ সকাল থেকেই ফের নেমে পড়বেন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্তিম দিনের লড়াইয়ে। 

সোমবার সকাল এগারোটা নাগাদ বিমানে ভূবনেশ্বর চলে গিয়েছিলেন মিমি। সেখান থেকে সড়কপথে পুরী। আর দশটা-পাঁচটা বাঙালির মতোই পুরী নিয়ে খুবই আবেগপ্রবণ মিমি। আর সেই আবেগের পারদটা ঠিক কতটা তা হয়তো এবার আরও টের পাওয়া গেল। 

জগন্নাথ ধামে পৌঁচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবিও দেন মিমি। গত আড়াই মাস ধরে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় লাগাতার প্রচার করেছেন তিনি। এমনকী, নিজের জেলা জলপাইগুড়িতেও প্রচার করেছেন। তাঁকে ঘিরে মানুষের উন্মাদনাও দেখেছেন মিমি। তাই জগন্নাথদেবের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের এই উন্মাদনাতেও তিনি আস্থা রাখছেন। ২৩ তারিখ তাঁর বিশ্বাসে-ই সিলমোহর দেবে বলে মনে করছেন মিমি।