পোষ্য ছাগলকে খুঁজতে গিয়ে তিনি নিজেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। জঙ্গল থেকে এক মহিলার বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৫ জনকে।

জানা গিয়েছে, শালবনীর জঙ্গল লাগোয়া একটি গ্রামে থাকতেন বছর পঞ্চাশের ওই মহিলা।  শনিবার বিকেল পর থেকে বাড়ির পোষা ছাগলটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, ছাগল খুঁজতে জঙ্গলে ঢুকেছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু আর ফেরেননি। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।  রাতের দিকে জঙ্গলে ওই মহিলার বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর দেওয়া হয় শালবনী থানায়। জঙ্গল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। দেহটি পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি পেয়েছেন তদন্তকারীরা। আর যেহেতু দেহটি বিবস্ত্র ছিল, সেক্ষেত্রে ধর্ষণ করে খুন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: দড়ি বেঁধে টানা হলো মহিলাকে, নির্মম অত্যাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে পশ্চিম মেদিনীপুরেরই কেশিয়াড়িতে এক মহিলার নগ্ন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই মহিলাও সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। সকালে গ্রামের পাশে একটি মাঠে তাঁর দেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এক্ষেত্রে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের  মহিলার বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার হল শালবনীতে।