সম্ভাব্য জুন মাসেই রাজ্যের অন্যান্য জেলার সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৭ টি পুরসভাতে পুর নির্বাচন। তার আগে জেলার সাতটি পুরসভা এলাকাতেই "বিউটিফিকেশন" এর উদ্যোগ নিল প্রশাসন। ফেলে রাখা কাজগুলো এক মাসের মধ্যেই শেষ করে বিউটিফিকেশন-এর কাজটিও করা হবে বলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে।

তাপস সহ তিন মৃত্যুর জন্য দায়ী কেন্দ্র, বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে মেদিনীপুর, খড়গপুর, রামজীবনপুর, খড়ার, ঘাটাল, ক্ষীরপাই, চন্দ্রকোনা, মিলিয়ে মোট সাতটি পুরসভা নির্বাচন হবে এবার। এদের মধ্যে মেদিনীপুর পৌরসভার নির্বাচন প্রক্রিয়া অনেকটা বেশি পিছিয়ে গিয়েছিল। প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় মহকুমা শাসক দিয়ে প্রশাসনের কাজ চলছে। যে কারণে পুর পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভের আগুন চারদিকে। পুর পরিষেবা নিয়ে অন্যান্য পুরসভা গুলোতেও কমবেশি চাপানউতোর রয়েছেই বিরোধীদের। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগেই ঘাটতি মেটানোর উদ্যোগ শাসকদলের ও প্রশাসনের।

কী গল্প কলকাতাকে শোনাল রোবট কন্যা সোফিয়া, দেখুন সেরা ১২ ছবি

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি তথা তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন," আমরা প্রশাসনিক পর্যায়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সাতটা পুরসভাতে ড্রেন ও রাস্তা যা বাকি রয়েছে, সামনের এক মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলব।হাউসিং স্কিম-এর যতগুলো কাজ বাকি রয়েছে পুরপ্রধানদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অবিলম্বে শেষ করে দিতে। সেই সঙ্গে প্রশাসনিক উদ্যোগেই প্রতিটি পৌরসভা এলাকাতে বিউটিফিকেশন করা হবে।যাতে মানুষ বুঝতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের এলাকাতে একটা উন্নয়ন করেছেন বা করতে চাইছেন।"

থমকালো পেট্রোলের দাম, মুখভার গাড়ি চালকদের

পৌর ভোটের মুখে ঘাটতি মিটিয়ে ক্ষোভ এড়িয়ে শাসক দলের পক্ষে ভোট গ্রহণ করাই যে কৌশল তা পরিষ্কার। ইতিমধ্যেই ৭ পুরসভা এলাকার পুরপ্রধান দের নিয়ে বৈঠক সেরে ফেলেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদ। দলের পক্ষ থেকেও পুর প্রধান ও ওয়ার্ডের কর্মীদেরকে তৎপর হয়ে ক্ষোভ প্রশমনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সতর্ক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অজিত মাইতি বলেন-" পরিস্থিতি অনেক পাল্টেছে। একের পর এক রাজ্যে বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের গৃহীত জনবিরোধী নীতি প্রচার করে আমাদের পরিস্থিতি অনেকটাই অনুকুল হয়েছে। আমরা নিশ্চিত আগামী দিনেও সাতটি পুরসভাতেই আমরা জয়লাভ করব।"