২০০৪ সালের ৪ জানুয়ারি গড়বেতার শেষপ্রান্তে ছোট আঙারিয়া গ্রামে স্থানীয় তৃণমূলের কর্মী বক্তার মন্ডল-সহ কয়েকজন বৈঠকে বসেছিল বক্তার মন্ডলের বাড়িতে ৷ ওই দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় সিপিএমের নেতারা তা বুঝতে পেরে গিয়েছিল ৷ তৃণমূলের দাবি- সিপিএমের দুষ্কৃতিরা ওই সময় পুরো মাটির বাড়িটিকে বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে গুলি চালিয়ে,আগুন লাগিয়ে খুন করেছিল তৃণমূলের কর্মীদের ৷ বক্তার সহ তিনজন পালাতে সক্ষম হলেও বাকিদের মেরে নদীর চরে নাকি পুঁতে দিয়েছিল সিপিএম৷ এই কান্ডে ছিল তৎকালীন সিপিএমের স্থানীয় নেতা সুশান্ত ঘোষ, তপন ঘোষ , সুকুর আলি-সহ অনেকেই ৷ 

বাম সরকারের আমলে তপন সুকুরকে গ্রেফতার করে সিবিআই মামলা করলেও সাক্ষীরা বিরূপ হওয়ায় সকলেই বেকসুর খালাস পায় ৷ তৃণমূলের সরকার এলে এই মামলা পুনরায় চালু হয়েছে ৷ তবে প্রতিবছর এই দিনটিকে ঘটা করে শহিদ স্মরন করে সিপিএমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয় শাসকদল তৃণমূল ৷ এবারও তাই হল শনিবার ৷ তবে এবার স্মরণ মঞ্চে বক্তারকে সামনে রেখেই সিপিএম নয় বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন নেতারা ৷ তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন- সিপিএমের সেই হার্মাদ নেতারা এখন গেরুয়া জামা পরে একই সন্ত্রাসে নেমেছে ৷ তাই বর্তমানের বিজেপিই এখন সন্ত্রাসবাদী৷ এদের বিরুদ্ধে ছোট আঙারিয়ার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে পুরনো সন্ত্রাসের মতো ঘটনা যাতে না ঘটে তার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ৷   এদিন সভা মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূলের বিধায়ক আশিস চক্রবর্তী , নির্মাল্য চক্রবর্তী, নির্মল ঘোষ, সভাধিপতি উত্তরা সিংহ হাজরা-রা সকলেই বক্তব্যের পুরো অংশে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ৷ সেই সঙ্গে স্মরণঁ সভায় উপস্থিত শহিদ পরিবারকে অর্থ, খাবার, বস্ত্র সাহায্য করেন ৷