নওয়াজ শরিফের শারীরিক অবস্থায় ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। হু হু করে কমছে রক্তের প্লেটলেট। শরীরের স্টেরয়েডের পরিমাণ ব্যাপক পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। চিকিৎসকরা এখন স্টেরয়েড কমানোর চেষ্টা করছে বলে জানা গিয়েছে। শরিফের ব্যক্তিগত চিকিৎসক আদনাম খান টুইটে জানিয়েছেন,  পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের যা অবস্থা, তাতে দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার প্রয়োজন। তা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হয়ে যেতে পারে। 

টুইটে আদনাম খান জানিয়েছে, নওয়াজ শরিফের ভঙ্গুর পরিস্থিতি আরও ভয়ানক করে তুলেছে। শরিফের প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে কমে গিয়েছে। যার ফলে চিকিৎসকদের ওষুধ সেভাবে কাজ করছে না। মঙ্গলবার টুইটেই তিনি নওয়াজ শরিফের শারীরিক অসুস্থতার খবর বেড়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। বর্তমানে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান লাহোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেখানে তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।  চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,  নওয়াজ শরিফের প্লেটলেট ২৫ হাজারে নেমে গিয়েছে।  চিকিৎসর পর ৪৫ হাজারে উঠলেও পরে আবার তা নেমে যাচ্ছে। একজন সাধারণ মানুষের প্লেটলেট দেড় লক্ষ থেকে তিন লক্ষ থাকার কথা। 

এক বিবৃতিতে মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছেন,  হাসপাতালে ভর্তির পর পরেই তাঁর একটা ছোট হার্ট অ্যাটাক হয়। সেই সময়  যে ওষুধ দেওয়া হয়, তার কারণেই প্লেটলেট এভাবে কমে যাচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত প্লেটলেট স্বাভাবিক হচ্ছে, নওয়াজ শরিফকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। এই সময় হাসপাতাল থেকে নওয়াজ শরিফকে ছেড়ে দিলে বড় ধরনের বিপদ হতে পারে বলেও লাহোরের এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।  পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাহোরের লক্ষপত কারাগারে বন্দি রয়েছেন। আল-আজিজিয়া মামলায় তাঁর সাত বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। এছাড়াও চৌধুরি সুগার মিলস মামলায় তাঁকে  দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।