মোদী শুরু করেছিলেন, আমরা শেষ করব। ঠিক এই ভাষাতেই ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্তের ওপাড় থেকে এল হুমকি। পাক প্রথানমন্ত্রীর পরমাণু যুদ্ধের হুমকির পর এদিন সুর চড়ালেন সেই দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী চৌধুরি ফাওয়াদ হুসেন।

এদিন তিনি একটি টুইট করে জানালেন কাশ্মীূর নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠকে ইমরান খান ভারতের জন্য পাক আকাশসীমা পুরোপুরি বন্দের কথা ভাবছেন। শুধু তাই নয়, ভারতীয়রা যে পাকিস্তানের মধ্য় দিয়ে স্থলপথে পণ্য সামগ্রী নিয়ে যান আফগানিস্তানে, এইবার সেই রাস্তাও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দিন কয়েক আগেই ২২ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান বিমান পাক আকাশসীমা দিয়েই উড়ে গিয়েছিল ফ্রান্সের দিকে। সেই নিয়ে দেশে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ইমরানকে। জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর বেশ কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে কেন পাক আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হল, সেই প্রশ্নও উঠেছে। এরপরই এদিন এই ঘোষণা করা হল।

ফাওয়াদ টৌধুরি জানিয়েছেন এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়া এখনও বাকি। তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত আদৌ নিতে পারবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। পাক আকাশসীমা বন্ধ থাকলে ভারতীয় বিমানগুলির খরচ অবশ্যই বাড়বে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে যাতায়াতের সময়ও বেড়ে যাবে অনেক। কিন্তু এর আগে বালাকোটের বিমানহানার পর মাস পাঁচেক পাক আকাশসীমা বন্ধ রেখে এয়ার টোল বাবদ প্রাপ্য বিপুল অর্থের ক্ষতির মুখে পড়েছিল পাকিস্তান।

অন্যদিকে স্থলপথের বানিজ্যের রাস্তা বন্ধ করে দিলে, ভারতের থেকেও বেশি সমস্যায় পড়বে আফগানিস্তান। এক দিন আগেই সেই দেশের শান্তি প্রক্রিয়ায় ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অবস্থায় ভারত থেকে পণ্য আসা বন্ধ হয়ে গেলে সেই প্রক্রিয়া ব্যহত হতে বাধ্য। তা, মার্কিন প্রশাসন মেনে নেবে বলে মনে হয় না। আর তারা চাপ দিলে ইমরান খানের তা মেনে নেওয়া ছাড়া গতি নেই।