আগামী ৫ অগাস্ট জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার এক বছর পূর্ণ হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের সমালোচনা করার পরিকল্পনা করেছে ইমরাণ খান সরকার। এবার ওইদিন কী ভাষায় ভারতের সমালোচনা করতে হবে পাক সংবাদমাধ্যম ও নাগরিকদের তাও ঠিক করে দিল সরকারই।

সুক্রবার পাক সরকারের এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে 'অবৈধভাবে' দখল করা জম্মু ও কাশ্মীর-কে ভারতীয় সেনার হাতে তুলে দেওয়ার এক বছর পূর্ণ হতে চলেছে। এই কারণে কাশ্মীরি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশে নির্দিষ্ট কিছু পরিভাষা ব্যবহার করতে হবে।

৫ অগাস্ট দিনটিকে পাকিস্তান ইউম-ই-ইস্তেহসাল ও ঘাসবানা কবজা বলে অভিহিত করছে। এই ভাষাই ব্যবহার করতে হবে পাক সংবাদমাধ্যম ও নাগরিকদের। সেইসঙ্গে আইওজেকে বা ভারতের অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর বললে চলবে না। বলতে হবে আইআইওজেকে অর্থাৎ ভারতের অবৈধভাবে দখল করা জম্মু ও কাশ্মীর। জম্মু কাশ্মীরে  ভারত সরকার ও সেনার 'অবৈধ সংযোজন' নয়, বলতে হবে 'অবৈধ পদক্ষেপ'। ডেমোগ্রাফিক রি-ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দবন্ধ ব্যবহারেরর বদলে বলতে হবে ডেমোগ্রাফিক জাতিবিদ্বেষ। আর সামরিক অবরোধ ব্যবহার করতে হবে লকডাউন শব্দের বদলে।

পাক সেনা ও আইএসআই ৫ আগস্ট কালা দিবস হিসাবে পালনের আরও বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করেছে। সমস্ত টিভি ও রেডিও চ্যানেলগুলিকে ৫ আগস্ট এক মিনিটের নীরবতার পরপরই বাজাতে হবে পাকিস্তান এবং আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের জাতীয় সংগীত। টিভি চ্যানেলগুলির লোগো কালো করে দিতে হবে। সেইসঙ্গে উপস্থাপকদের পরতে হবে কালো ব্যান্ড।