দারুণ চাপে ইমরান খান। মঙ্গলবার নিয়ে পাঁচ দিনে পড়ল তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে মৌলানা ফজলুর রেহমানের ডানপন্থী জমিয়ত-উলেমা-ই-ইসলাম ফজল দলের আজাদি যাত্রা। এই যাত্রাকে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানের বাকি বিরোধী দলগুলিও। আর এই দারুণ চাপের মুখে পড়ে বিরোধীদের সব 'ন্যায্য দাবি' মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলেন ইমরান। তবে পদত্যাগ তিনি করবেন না।

নির্বাচনের সময় তিনি রিগিং করেছেন বলে অভিযোগ করে ইমরানের পদত্যাগ দাবি করেছেন মৌলানা ফজলুর রেহমান। ইমরানকে দুদিন সময় দিয়েছিলেন, যা সোমবারই শেষ হয়েছে। এরপরই পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পারভেজ খট্টকের নেতৃত্বে রেহমানের বাসভবনে এক প্রতিনিধি দল পাঠান ইমরান। সেখানে বিরোধীদের দাবি দাওয়া নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা হয়। মঙ্গলবার রাতেও ফের দুই পক্ষের আলোচনার কথা রয়েছে।

এদিকে পাকিস্তানের আরও দুই বিরোধী দল 'পিএমএল-এন' ও 'পিপিপি' রেহমানের দলের এই আজাদি মিছিলকে সমর্থন করেছে। সোমবার রাতে ইমরানের প্রতিনিধিরা রেহমানের বাসভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি সুজাত হুসেন। অন্যদিকে এক দনসভায় পিপিপি প্রধান বিলাবল ভুট্টো ইমরান প্রশাসনকে অদক্ষ বলে উল্লেখ করে তাঁদের পার্টি নতুন জাতীয় সরকার গড়বে বলে বিবৃতি দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে ইমরান কানের গদি আপাতত টলমল করছে। অর্থনীতি থেকে কাশ্মীর সব দিক থেকেই তাঁর প্রশাসনের ল্যাজে গোবরে অবস্থা। রেহমান কিন্তু বলেছেন, ইমরান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের আজাদি যাত্রা চলবে। তাঁর দাবি নতুন করে ভোট করা হোক, যা সেনার তত্ত্বাবদানে হবে না। ইমরান কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেন, সেটাই দেখার।