১০ ফেব্রুয়ারির পরই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হোক। পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-ফজল নেতা মৌলানা আব্দুল আকবর চিত্রালি সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান-কে এমনই পরামর্শ দিলেন। পাকিস্তানের সংসদে সরাসরি ভারতের বিরুদ্ধে 'জেহাদ' ঘোষণা করার আহ্বান জানানো হল।

মৌলানা চিত্রালি আরও বলেন এই যুদ্ধ ঘোষণা একটা কৌশল মাত্র। ভারতের সাথে নিছক যুদ্ধের ঘোষণাতেই আন্তর্জাতিক মহল দুই দেশের মধ্যে কয়েক দশকের পুরনো কাশ্মীর সমস্যা হস্তক্ষেপ করতে এবং সমাধান করতে বাধ্য করবে। চিত্রালি-র এই আহ্বানকে পাক সংসদে অনেক নেতাই স্বাগত জানিয়েছেন। চিত্রালি ইমরানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'কাশ্মীরের জনগণকে মুক্ত করতে এবং উপমহাদেশের ভাগের অসম্পূর্ণ পরিকল্পনা সম্পূর্ণ করতে যুদ্ধই একমাত্র বিকল্প'।

পাকিস্তানের প্রধান বিরোধী দলের পরিষদীয় নেতা খাজা আসিফ কাশ্মীরের জনগণের জন্য কিছু না করার অভিযোগে অন্যান্য ইসলামিক দেশগুলির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ইসলামিক দেশগুলির সংস্থা বা ওআইসি একটি 'মৃত সংগঠন এবং তিন-চারটি সদস্য দেশ বাদে, বাকি দেশগুলি নিজেদেরই রক্ষা করতে পারে না, তারা কীভাবে কাশ্মীর নিয়ে কথা বলবে'।

এমনকী, সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলি মহম্মদ খান-ও 'ভারতকে আক্রমণ করে জম্মু ও কাশ্মীর ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অবশ্য এখনও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।