দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার পর রবিবার দুপুর থেকে পাকিস্তানের একাধিক জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা গেছে। কিন্তু এখনও দেশের বেশ কয়েকটি জায়গা অন্ধকারাচ্ছন্ন রয়েছে। পাকিস্তানের মন্ত্রী ওমর আয়ুব খান বলেছেন যে ইসলামাবাদ, রাওলপিণ্ডি, লাহোর, করাচির পর গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু করা হয়েছে। কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে এখনও অনেকটাই সময় লাগবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। 

শনিবার রাত ১১টা ৪১ মিনিটে অন্ধকারে ঢেকে যায় পাকিস্তান। বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সিন্ধু প্রদেশের গুড্ডু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ত্রুটির জন্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সিন্টেমের ফ্রিকোয়েন্সি  হ্রাস পায়। এই ঘটনাকে ক্যাসকেড প্রভাব হিসেবেই চিহ্নিত করেছে পাক প্রসাসন। তারপর থেকেই একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যা। দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর নেমে আসে বিপর্যয়। গ্রিড বিপর্যের কারণে দেশের একাধিক জায়হায় মোবাইল সংযোগও ছিন্ন হয়ে যায়। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রী শিবলি ফরাজ বলেছেন, ট্রান্সমিশন সিস্টেমটি পুরনো ছিল। আর সেটি মেরামতি না করার জন্য পূর্বতন সরকার গুলির ওপরই দায় চাপিয়েছেন তিনি। 

রবিবার দিনের শুরুতেই পাক নাগরিকরা ব্যাকআউট ট্রেন্ড চালাতে শুরু করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।তবে কী করে এজাতীয় বিপর্যয় ঘটল তা তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে পাক প্রশাসন। এর আগে ২০১৫ সালে ব্ল্যাক আউট হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে। সেই সময় দেশটির ৮০ শতাংশ এলাকাই অন্ধকারে ঢাকা পড়েছিল। ন্যানাশান গ্রিড বসে যাওয়ার কারণেই সেই ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল পাকিস্তানকে।