সেক্স লাইফ নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন অনেক থাকে। তবে লজ্জা বা আড়ষ্ঠতার কারণে অনেকেই সেই সংক্রান্ত বহু প্রশ্ন করে উঠতে পারেন না। এমনকি সরাসরি কথা বলা হয়ে ওঠে না সঙ্গীর সঙ্গেও। বিশ্বাস করুন বা না করুন, ভারতে আজও যৌনতা শব্দটি নিষিদ্ধ। তবে বর্তমান প্রজন্ম পুরোপুরি পশ্চিমা বিশ্বে প্রকাশিত হওয়ায় আগের চেয়ে আরও বেশি মুক্ত মনের অধিকারী। তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে যৌনতা শব্দটি বিশেষ কোনও বড় কথা নয়। তবে বিয়ের আগে যৌনতা সম্পর্কে জেনে রাখা এবং কথা বলার বিষয়ে এখনও দ্বিধাগ্রস্থ রয়েছে সমাজ।

আরও পড়ুন- নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন, বিয়ের আগে মনে রাখুন সম্পর্কের এই খুঁটিনাটি

যৌন সম্পর্ক নিয়ে বা ভার্জিনিটি-কে গুরুত্ব দেয় দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ।  আর এই বিষয়ে জানার একমাত্র উৎস বর্তমানে ইন্টারনেট অথবা কোনও কাছের বন্ধু। যারা এই সম্পর্কিত প্রচুর তথ্য আমাদের বিয়ের আগেই দিয়ে থাকেন। তাই এই সম্পর্কে আপনাকে বিশেষ কিছু তথ্য যা আপনাদের বিয়ের আগে অবশ্যই জেনে রাখা দরকার।

দৃঢ় সম্পর্ক

যদি আপনি সত্যিই ভাবেন যে আপনি একে অপরের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্কে রয়েছে এবং তাঁদের যা কিছুই হোক না কেন একে অপরের সঙ্গে থাকা দরকার। তবে এর জন্য সম্পর্ককে উপভোগ করুন এবং এতে আনন্দিত বোধ করবেন। এটি কেবল শারীরিক আনন্দ উপভোগ করার সম্পর্ক নয় তবে এটি আপনার সম্পর্কের এক অংশও বটে।

আরও পড়ুন- প্রেমে সফল হতে চান, মেনে চলুন চাণক্যের সহজ নীতি

ভালবাসা

সম্পর্কটি সম্পূর্ণ প্রেমের উপর ভিত্তি করে কামনা নয়। কোনও প্রেমের সম্পর্কে থাকা সবচেয়ে সুন্দর এবং অসাধারণ অনুভূতি যা আপনাকে নিজের পাশাপাশি আপনার সঙ্গী সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সুতরাং এই অনুভূতির সঙ্গে শারীরিক চাহিদা মিলিয়ে ফেলবেন না।

মানসিক যন্ত্রণা

স্মার্ট ব্যক্তিরা সর্বদা সম্পর্কের পরিণতি সম্পর্কে অবগত। যদি কোনও সময়ে আপনি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে ব্রেকআপ করেন, আপনার অবশ্যই ভালভাবে সচেতন হওয়া উচিত। যৌনতা আপনাকে কল্পনার চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। মানসিক ব্যথা এবং ট্রমা আপনাকে পুরনো স্মৃতি বার বার মনে করাতে বাধ্য করবে। আপনার জানা উচিত, যখন দুজনই প্রকৃতপক্ষে সম্পর্কে ছিলেন তখন আপনি সেই বন্ধন এবং অনুভূতি ভাগ করেছিলেন। তখন সেটা আপনার সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্ত ছিল।


তবে হ্যাঁ, সাবধানতা কষ্ট পাওয়ার চেয়ে ভাল। তবে আপনার সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে ভালভাবে সচেতন হওয়া উচিত এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমরা সম্পর্কের পরিণতি সম্পর্কে কখনওই তার পরিণতি সম্পর্কে বলতে পারি না। সম্পর্কের সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি দুজনের উপর নির্ভর করে। তাদের সম্পর্কের দৃঢ়তা এবং গুরুত্ব এই দু'জনের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ভর করে।