২০১৯ এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই মরশুম শেষেই অবসর নিতে পারেন। তাই জন্য এইবারের মরশুমটি স্মরণীয় করে রাখতে চান লিয়েন্ডার পেজ। এই বছরে দেশের মাটিতে শেষ এটিপি ট্যুর বেঙ্গালুরু ওপেন খেলতে নেমেছেন তিনি। অজি সঙ্গী ম্যাথিউ আব্দেনের সাথে মিলে সুইডেনের আন্দ্রে গোরানসন এবং ইন্দোনেশিয়ার ক্রিস্টফার রুঙকাট কে ৭-৫, ০-৬, ১০-৭ ফলে হারিয়ে ব্যাঙ্গালুরু ওপেনের সেমিতে উঠলেন পেজ। পেজ জিতলেও ভারতীয় সিঙ্গেলস তারকরা হতাশ করেছেন। ফ্রান্সের বেঞ্জামিনের কাছে ৬-৭, ০-৭ ফলাফলে হারেন প্রজ্ঞেশ গুনেস্বর। স্লোভানিয়ার ব্লাজ রোলার কাছে স্ট্রেট সেটে হারেন সুমিত নাগালও।

হেরে ভীষণ হতাশ প্রজ্ঞেশ গুনেস্বর। হতাশ হয়ে তিনি জানিয়েছেন এই হার কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি এবং এই হারের কোনও ব্যাখ্যাও নেই তার কাছে। এই ম্যাচের ঠিক এক সপ্তাহ আগে টাটা ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে হারতে হয়েছিল তাকে। সেবার হেরেছিলেন শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ান টেনিস তারকা কুয়ানের কাছে। সেই হারটাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু ব্যাঙ্গালোর ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের যে খেলোয়াড়ের কাছে তিনি হারলেন তিনি রাঙ্কিং-এ গুনেস্বরের থেকে অনেক পিছিয়ে। যে ম্যাচ গুনেস্বর হেসেখেলে জিতবেন বলে আশা করা হচ্ছিলো সেখানে তার এরকম পরিস্থিতি দেখে বিস্মিত সকলেই। 

সেমিতে পৌঁছতে পেরে তৃপ্ত নিউজিল্যান্ড। সাংবাদিক সম্মেলনে অবসরের ব্যাপারে স্পষ্ট করে না জানালেও তিনি জানিয়েছেন সেরা ফর্মে থেকেই খেলা ছাড়তে চান। কোয়ার্টার ফাইনালে তার প্রতিপক্ষ সম্পর্কেও শ্রদ্ধা দেখা গেছে লিয়েন্ডারের গলায়। তিনি জানিয়েছেন আন্দ্রে গোরানসন এবং  ক্রিস্টফার রুঙকাট দুজনেই প্রতিভাবান খেলোয়াড়। তাদেরকে হারাতে তাকে এবং সঙ্গী ম্যাথিউ আব্দেনকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে।