২০২০ সালেই রয়েছে টোকিয়ো অলিম্পিক্স। তার আগেই ভারতের জাতীয় ডোপ টেস্টিং ল্যাবরেটরিকে ছয় মাসের জন্য নির্বাসিত করল ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি। সমস্ত ভারতীয় অ্যাথলিটদের ডোপ টেস্টিং হয় এই ন্যাশানাল ডোপ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে। তাই অলিম্পিকের এক বছর আগেই ওয়াডার এই সিদ্ধান্তে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা।  

নিজেদের সোশ্যাল সাইটে ওয়াডা টুইট করে জানিয়েছে, সমস্ত আন্তর্জাতিক মানের এই ল্যাবরেটরিগুলির সঙ্গে ভারতের জাতীয় ল্যাবরেটরির মানের সঙ্গে সমতা না থাকায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এছাড়াও জানিয়েছে যে ভারতের জাতীয় ডোপ টেস্টিং ল্যাবরেটরির সমস্ত দিক পরিদর্শন করে তবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

ভারতীয় খেলোয়াড়দের ডোপ টেস্টিং-এর জন্য এই একটিই মাত্র ল্যাবরেটরি রয়েছে। তাই সেটাকে নির্বাসিত করলে সেটি বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াবে ভারতীয় খেলোয়াড়দের কাছে। এই পরিস্থিতিতে সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে নির্বাসনের এই ছয় মাস দিল্লির বাইরে জাতীয় ডোপ টেস্টিং ল্যাবরেটরির যে সংস্থাগুলি রয়েছে সেগুলিতে আপাতত ডোপ টেস্টিং হবে ভারতীয় অ্যাথলিটদের। 

ওয়াডা দ্বারা স্বীকৃত এমন ৩৪ টি সংস্থা পাওয়া গিয়েছে যাদের যোগ্যতার মান নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। তবে এই ৬ মাসের নির্বাসনকালের মধ্যে নিজেদের সমস্ত অসুবিধা মিটিয়ে না নিলে জাতীয় ডোপ টেস্টিং সংস্থা আরও বড় কোনও সমস্যায় পড়তে পারে বলেও ধারনা করা যায়।