মাার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই  প্যারিস চুক্তি থেকে আমেরিকার সরে আসার কথা জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী ট্রাম্প প্রসাশন প্যারিস চুক্তি থেকে আমেরিকাকে বের করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  মার্কিন বিদেস সচিব মাইক পম্পেও টুইটারে এই কথা জানিয়েছেন।  সোমবার টুইট করে মার্কিন বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, 'আজ থেকে আমেরিকা প্যারিস চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।   দেশে কার্বণ নিঃসরণের পরিমাণ আগের থেকে অনেক কমে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, বনাঞ্চগুলোকে রক্ষা করা এবং দেশের শক্তি বৃদ্ধিতে আমেরিকা অনেকটাই সফল হয়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমেরিকার অর্থনীতির উন্নতির হার বেড়েছে।  আমেরিকা যে বাস্তব সম্মত পরিকল্পনা নিয়েছে, তার জন্য প্রতিটি মার্কিন নাগরিক গর্বিত।' 

আরও পড়ুন মহার কোপ থেকে রক্ষা, শক্তি কমিয়ে গুজরাটে আঘাত হানবে ঘর্ণিঝড়

রাষ্ট্রসংঘ আগেই জানিয়েছিল, আমেরিকা আবেদন দেওয়ার এক বছর পর থেকে প্যারিস চুক্তি থেকে সরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে। রাষ্ট্রসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, আমেরিকা জলবায়ু সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি থেকে সরে আসার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছে। বিশ্বে যখন জলবায়ু প্রভাবে মারাত্মক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্যারিস চুক্তি থেকে সরে আসতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জলবায়ু সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি থেকে আমেরিকাকে সরিয়ে আনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি  অভিযোগ করেন, এই চুক্তির নাম করে মার্কিন অর্থে লাভবান হচ্ছে অনেক দেশ। 

২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর জলবায়ু পরিবর্তন রোধে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি হয়। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল বিশ্বের ১৯৬টি দল। চুক্তিতে যেমন অনেক দেশ অংশগ্রহণ করেছিলেন, তেমনি অনেক সংস্থা অংশ নেয় বলে জানা যায়। প্যারিস চুক্তির সময় একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।  ২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বের গড় তাপমিাত্রা কোনও ভাবেই যাতে দুই ডিগ্রির বেশি না বাড়ে, সেই দিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়াও কার্বণ নিঃসরণের পরিমাণ কমাতে হবে। জ্বালানীর প্রয়োগ কমানোরও আহ্বান জানানো হয়ে  এই প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে।